ব্রেকিং:
লক্ষ্মীপুরে করোনা উপসর্গে প্রবাসীর মৃত্যু! লক্ষ্মীপুরে কৃষকের ধান কেটে দিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুরে করোনা রোগী ৩৭ জন : নতুন করে শিশুসহ আক্রান্ত ৩ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত করোনার তাণ্ডবে প্রাণ গেল ২ লাখ ১১ হাজার মানুষের মারা যাওয়া তরুণের করোনা নেগেটিভ, তিন ভাই বোনের পজেটিভ লক্ষ্মীপুরে কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিল এডভোকেট নয়ন লক্ষ্মীপুরে ত্রাণের সাথে ঘরও পেল লুজি মানসম্মত কোন ধাপ অতিক্রম করেনি গণস্বাস্থ্যের কিট পরিস্থিতি ঠিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যদের সাথে পুলিশ সুপারের ভিডিও কনফারেন্স লক্ষ্মীপুরে আরো ৩ জনের করোনা পজেটিভ আপনিকি করোনা পরীক্ষায় গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের কিট ব্যবহারের বিপক্ষে? লক্ষ্মীপুরে ধান কেটে কৃষকের ঘরে পৌঁছে দিল ছাত্রলীগ লক্ষ্মীপুরে ২০০০ পরিবার পেল উপহার সামগ্রী কমলনগরে করোনা উপসর্গে একজনের মৃত্যু, এক বাড়ি লকডাউন ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিলো ছাত্রলীগ, কৃষকের মুখে হাসি ভবানীগঞ্জে কর্মহীন পরিবহণ শ্রমিকদের মাঝে সদর এমপি’র ত্রাণ বিতরণ করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৯২ হাজার ছাড়ালো লক্ষ্মীপুরে লকডাউন অবস্থায় অসুস্থ যুবকের মৃত্যু : নমুনা সংগ্রহ
  • বৃহস্পতিবার   ০৪ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২১ ১৪২৭

  • || ১১ শাওয়াল ১৪৪১

৫০৬

এই লজ্জা কোথায় রাখি?

আলোকিত লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

জানো  আমার বাপটা এই শীত আমার হাতে পিঠা খেতে চেয়ছিলো,
আমি বলছিলাম, "কেন রে খোকা, শীতে কেন? এখনি চলে আয় না?
আমার ছোট্ট আবরার বলেছিলো, "না মা। সামনে পরীক্ষা। অনেক চাপ"
আমি খুব করে বকেছিলাম। ছেলেটার মুখে শুধু পড়া আর পড়া।
ওর বাবা বললো, "পিঠা বানাও। আমি না হয় দিয়ে আসবো"
কিন্তু তোমরা সেই সুযোগটা দিলে না বাবারা।
আমরা খোকা বোধয় মা মা বলে চিৎকার করেছিলো তাই না?
ও কি আমাদের দেখতে চেয়েছিলো বাবারা?
ওর শেষ সময়ে কি ওর মুখে পানি দিয়েছিলে তোমরা?
আহা রে!  আমার খোকা বোধয় পানি চাইতেও পারে নি!
তোমরা সে সুযোগ দাও নি।
আমি আমার বাবুর হাতটা দেখলাম। অনেকটা ফুলে আছে।
যেই হাতটা ধরবো, ওমনি কে যেন কানে কানে বললো," মা ধরো না মা। খুব ব্যাথা ওখানে।"
আমি স্পষ্ট বুঝলাম এতো আমার আবরার গলা। চারিদিক খুজলাম আর পেলাম না জানো বাবা! 
আমি যখন হাত ছেড়ে ওর মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দেবো যাতে ওর আরাম হয়, তখনি আবার বলে উঠলো, "মা ওখানে ধরো না। ওখানটা রক্তে ভিজে গেছে।"
হ্যা তাই তো! আমার হাতে রক্ত! আমার খোকার রক্ত!
আমি আর কাউকে ধরতে দিলাম না। ওর যে ব্যাথা করে স্পর্শ করলেই।
জানো বাবারা, আমার লক্ষী ছেলেটা না অন্ধকার ভয় পায়।
ছোটবেলায় আমার কোলে আলো না দেখলে ভয়ে কেপে উঠতো।
আমি বা ওর বাবা কেউ ওকে একা রেখে যেতাম না।
আচ্ছা তোমরা বলতে পারো? আমার খোকা সেই অন্ধকার ঘরে কিভাবে থাকবে?
ওর যে ভয় করবে গো?
তোমরা যদি আমাকে বলতে আমি আমার শরীরটা পেতে দিতাম তোমাদের সামনে। তোমরা যত ইচ্ছা মানুষ মারার প্র্যাকটিস করতে আমার উপর দিয়ে।
আমার ছেলেটা তো এতো কষ্ট পেতো না। 
আমার বাবা তো আর নেই। তোমরা যারা আমার বাবাকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নিলে তারা খুব ভালো থেকো। আমি তো মা। তাই কাউকে অভিশাপ দিতে পারি না।
শুধু বলবো তোমরা এটা না করলেও পারতে! আমার খোকাকে আমার কোলে ফিরেয়ে দিতে, না পড়লো আমার খোকা, আমার বুকের মানিক তো আমার বুকেই থাকতো!

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
সারাবাংলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর
//