ব্রেকিং:
লক্ষ্মীপুরে করোনা উপসর্গে প্রবাসীর মৃত্যু! লক্ষ্মীপুরে কৃষকের ধান কেটে দিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুরে করোনা রোগী ৩৭ জন : নতুন করে শিশুসহ আক্রান্ত ৩ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত করোনার তাণ্ডবে প্রাণ গেল ২ লাখ ১১ হাজার মানুষের মারা যাওয়া তরুণের করোনা নেগেটিভ, তিন ভাই বোনের পজেটিভ লক্ষ্মীপুরে কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিল এডভোকেট নয়ন লক্ষ্মীপুরে ত্রাণের সাথে ঘরও পেল লুজি মানসম্মত কোন ধাপ অতিক্রম করেনি গণস্বাস্থ্যের কিট পরিস্থিতি ঠিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যদের সাথে পুলিশ সুপারের ভিডিও কনফারেন্স লক্ষ্মীপুরে আরো ৩ জনের করোনা পজেটিভ আপনিকি করোনা পরীক্ষায় গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের কিট ব্যবহারের বিপক্ষে? লক্ষ্মীপুরে ধান কেটে কৃষকের ঘরে পৌঁছে দিল ছাত্রলীগ লক্ষ্মীপুরে ২০০০ পরিবার পেল উপহার সামগ্রী কমলনগরে করোনা উপসর্গে একজনের মৃত্যু, এক বাড়ি লকডাউন ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিলো ছাত্রলীগ, কৃষকের মুখে হাসি ভবানীগঞ্জে কর্মহীন পরিবহণ শ্রমিকদের মাঝে সদর এমপি’র ত্রাণ বিতরণ করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৯২ হাজার ছাড়ালো লক্ষ্মীপুরে লকডাউন অবস্থায় অসুস্থ যুবকের মৃত্যু : নমুনা সংগ্রহ
  • মঙ্গলবার   ০৭ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৩ ১৪২৭

  • || ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪১

৩৪০

করোনার চেয়েও ভয়াবহ বিএনপি-জামায়াত জোটের ‘গুজব ভাইরাস’

আলোকিত লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২০  

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বিএনপি-জামায়াত জোটের গুজব ভাইরাস। জোটের কিছু ব্যক্তি দেশ এবং বিদেশ থেকে নানারকম গুজব ছড়িয়ে জনমনে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে। এই গুজবের প্রধান লক্ষ্য জনগণকে বিভ্রান্ত, আতঙ্কিত করা এবং জনগণকে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা।

জানা গেছে, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আতঙ্কিত পুরো পৃথিবী। ভয়াবহতায় স্থবির হয়ে পড়েছে সারাবিশ্ববাসীর জীবনযাত্র, গোট বিশ্ব বিচ্ছিন্ন, জনজীবন আতঙ্কিত এবং করোনাভাইরাসের মহামারী ঠেকাতে কোন পথ খুঁজে পাচ্ছে না বিজ্ঞানের নবযুগে প্রবেশ করা উন্নত রাষ্ট্রগুলো পর্যন্ত। ইউরোপ থেকে শুরু করে নর্থ আমেরিকা, এমনকি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় করোনা ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও করোনার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত ২৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস নিয়ে যে গুজবগুলো ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো মূলত ছড়াচ্ছে বিএনপি-জামায়াত এবং গুজবের কিছু জায়গা রয়েছে। যেমন লন্ডন থেকে গুজব ছড়ানো হচ্ছে বেশি, আমেরিকা থেকে কিছু গুজব ছড়ানো হচ্ছে, বাংলাদেশেও কিছু ব্যক্তি ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই গুজবগুলোকে ছড়িয়ে দিচ্ছে। আপতদৃষ্টিতে অতি উৎসাহী মানুষের অপপ্রচার মনে হলেও, ক্রমশ এটা যে পরিকল্পিত তথ্য সন্ত্রাস তা প্রমাণিত হচ্ছে। বিশেষ করে এইসব গুজবগুলোর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য যখন সরকারের উপর সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করে দেয়া, তখন বোঝাই যাচ্ছে যে, এটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।

ইতিমধ্যে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা গুজব সন্ত্রাস সৃষ্টির জন্য কয়েকজনকে আটক করেছে এবং যাদেরকে আটক করা হয়েছে তাঁদের পরিচয় খুঁজতে গিয়ে দেখা গেছে যে, এরা প্রত্যেকেই বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্কিত। এসমস্ত গুজবগুলো এমনভাবে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে যে, অর্থ খরচের মাধ্যমে এসব গুজব সামাজিক মাধ্যমে বুস্ট করা হচ্ছে যাতে সাধারণ মানুষের কাছে এটা পৌঁছায় সেটা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

করোনাভাইরাস যখন বাংলাদেশে প্রথম সংক্রমিত হয়, তাঁর পর থেকেই এই গুজব সন্ত্রাস শুরু হয়। প্রথমে এই গুজব শুরু হয়ছিল করোনাভাইরাস ছড়ানোর আগে থেকেই। যখন বলা হচ্ছিল যে, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী রয়েছে, কিন্তু ১৭-ই মার্চের আগে প্রকাশ করা হবে না এবং বিএনপির কিছু নেতারা প্রকাশ্যেই এই গুজবকে বৈধতা দিয়েছিল বিভিন্ন সভা-সমাবেশের মাধ্যমে। যতই দিন যাচ্ছে ততই এই গুজব ভাইরাস লাগামহীন আকার ধারণ করছে।

সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রগুলো মনে করছে, এখনই যদি এই গুজবগুলোকে বন্ধ করা না যায়, তাহলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে যে, মূলধারার গণমাধ্যমের বদলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুজবকেই মানুষ বেশি প্রাধান্য দিবে। ইতিমধ্যেই মানুষ মনে করছে যে, এগুলোর কিছু না কিছু হয়তো সত্য। বিশেষ করে যে মৃত্যুর সংখ্যা এবং আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে জনমনে গুজবকারীরা সফলভাবে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। অথচ এর বিপরীতে প্রকৃত অবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করার প্রচারণা একেবারেই নেই।

করোনাভাইরাস বাংলাদেশে শনাক্ত হবার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শুধুমাত্র পত্রিকায় কিছু সতকর্তামূলক বিজ্ঞাপন দিয়েই ক্ষান্ত হয়েছে। কিন্তু টেলিভিশন এবং বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কোন উপস্থিতি নেই।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছে যে, অপরিকল্পিত অপপ্রচার হচ্ছে, সেই অপপ্রচারকে বন্ধ করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচারণা দরকার। বিশেষ করে যে সমস্ত অপপ্রচার, মিথ্যাচার যেই ফেসবুক একাউন্ট বা পেজ থেকে প্রচার করা হচ্ছে সেগুলোর বিরুদ্ধে অবিলম্বে রিপোর্ট করা দরকার অথবা সেগুলো বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।

অনেকেই মনে করছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে জনগণের চলাফেরা যেমন সীমিত করা হয়েছে তেমনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নজরদারি এবং সীমিতকরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কিছু সময়ের জন্য ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- যেগুলোতে গুজব ছড়ানো যায়, সেগুলো বন্ধ রাখা উচিত বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ গুজব যদি মূল সত্য সংবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হবেই। তখন করোনাভাইরাস মোকাবেলার সাথে দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করাও জটিল হয়ে যাবে। করোনাভাইরাস মোকাবেলার পাশাপাশি গুজব ভাইরাসও মোকাবেলা করা উচত বলে রাজনৈতিক সচেতন মহল মনে করছে।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
রাজনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর
//