ব্রেকিং:
লক্ষ্মীপুরে শিশু হত্যার দায়ে মা আটক জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ অটোরিক্সা বন্ধে ট্রাফিক পুলিশের প্রচারণা মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের মধ্যে চাল বিতরণ ওসি ইকবাল হোসেনের বিদায় সংবর্ধনা স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েও স্বপদে বহাল শরীর চর্চা শিক্ষক প্রশাসনের কাজে খুশি হয়ে শ্রমিকদের আনন্দ মিছিল সাদা ছড়ি ব্যবহার করি, নিশ্চিন্তে পথ চলি লক্ষ্মীপুরে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত দোয়া দিবস পালিত ডেঙ্গু কেড়ে নিলো ব্যবসায়ীর প্রাণ ২০২৩ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে পারে বাংলাদেশ! সম্রাটের ১০ দিনের রিমান্ড আবরার হত্যাকাণ্ডকে ইস্যু বানাতে চাচ্ছে বিএনপি: কাদের বিশ্বে ৭০ কোটি শিশু পুষ্টিহীনতায় ভুগছে ইরান ও সৌদিকে সরাসরি আলোচনায় বসার প্রস্তাব ইমরান খানের নতুন প্রজন্মকে পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ার আহ্বান ঢাকায় হচ্ছে আরো দুই মেট্রোরেল দুই মাসেও সন্ধান মেলেনি স্বজনদের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার,আটক ৬ চর লরেঞ্জ ইউপি সদস্য নির্বাচনে ইসমাইল হোসেনের জয়

বুধবার   ১৬ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৬ সফর ১৪৪১

১৪

কাজ ছাড়াই টাকা বাগিয়ে নিল ঠিকাদার

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। কমপ্লেক্সটির তৃতীয় শ্রেণির একটি আবাসিক ভবন সংস্কারের জন্য পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর। কিন্তু কাজ না করেই টাকা তুলে নেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এমনি অভিযোগ উঠেছে খুলনার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স স্বাদ এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে।

হাসপাতালের তথ্যমতে, তৃতীয় শ্রেণির আবাসিক ভবনটির সংস্কারের জন্য চলতি বছরের এপ্রিল মাসে পাঁচ লাখের অধিক টাকা বরাদ্দ দেয় খুলনা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর। সংস্কার কাজের দায়িত্ব পায় মেসার্স স্বাদ এন্টারপ্রাইজ। পরবর্তীতে ঠিকাদারের লোকজন ভবনের ভেতর ও বাইরের দেয়ালে কোনো রকম রঙ-তুলির আঁচড় দিয়ে পানি-বিদ্যুৎসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো না করেই চলে যায়। বিষয়টি ওই ভবনের স্বাস্থ্য সহকারী ডাক্তার মো. আসলাম হোসেন জমাদ্দার সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারকে জানান।

এ সময় তারা বলেন, চিন্তার কোনো কারণ নেই, নিয়মানুযায়ী ভবনের সব কাজ করে দেয়া হবে। কিন্তু মিথ্যা আশ্বাসে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর যোগসাজশে পুরো বিল তুলে নেয় ঠিকাদার।

ডাক্তার আসলাম হোসেন বলেন, ভবনটির কাজ না করায় পরিবার-পরিজনকে বৃষ্টির পানি থেকে বাঁচাতে ব্যক্তিগত ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে। এছাড়া থাকার কোনো পরিবেশ ছিল না।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার মো. জামাল হোসেন শোভন বলেন, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কাজ বুঝিয়ে দেয়নি। এছাড়া তারা হাসপাতাল কতৃপক্ষের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি।

এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

প্রকৌশলী মো. এনামুল হক তালুকদার বলেন, ভবনটির কাজ সঠিকভাবে করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ঠিকাদারের কোনো গাফিলতি নেই। ভবনটিতে যারা থাকেন তাদের অভিযোগ সঠিক নয়।

সিভিল সার্জন জিকে শামসুজ্জামান বলেন, অনেক ঠিকাদার কাজে নানা অনিয়ম করে থাকেন। এমনকি কাজ বুঝিয়ে না দেয়াসহ কাগজপত্রে সাক্ষর পর্যন্ত নেয় না। তবে বিষয়টির খোঁজখবর নেয়া হবে।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//