ব্রেকিং:
লক্ষ্মীপুরে করোনা উপসর্গে প্রবাসীর মৃত্যু! লক্ষ্মীপুরে কৃষকের ধান কেটে দিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুরে করোনা রোগী ৩৭ জন : নতুন করে শিশুসহ আক্রান্ত ৩ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত করোনার তাণ্ডবে প্রাণ গেল ২ লাখ ১১ হাজার মানুষের মারা যাওয়া তরুণের করোনা নেগেটিভ, তিন ভাই বোনের পজেটিভ লক্ষ্মীপুরে কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিল এডভোকেট নয়ন লক্ষ্মীপুরে ত্রাণের সাথে ঘরও পেল লুজি মানসম্মত কোন ধাপ অতিক্রম করেনি গণস্বাস্থ্যের কিট পরিস্থিতি ঠিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যদের সাথে পুলিশ সুপারের ভিডিও কনফারেন্স লক্ষ্মীপুরে আরো ৩ জনের করোনা পজেটিভ আপনিকি করোনা পরীক্ষায় গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের কিট ব্যবহারের বিপক্ষে? লক্ষ্মীপুরে ধান কেটে কৃষকের ঘরে পৌঁছে দিল ছাত্রলীগ লক্ষ্মীপুরে ২০০০ পরিবার পেল উপহার সামগ্রী কমলনগরে করোনা উপসর্গে একজনের মৃত্যু, এক বাড়ি লকডাউন ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিলো ছাত্রলীগ, কৃষকের মুখে হাসি ভবানীগঞ্জে কর্মহীন পরিবহণ শ্রমিকদের মাঝে সদর এমপি’র ত্রাণ বিতরণ করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৯২ হাজার ছাড়ালো লক্ষ্মীপুরে লকডাউন অবস্থায় অসুস্থ যুবকের মৃত্যু : নমুনা সংগ্রহ
  • বুধবার   ০৩ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২০ ১৪২৭

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪১

১৮৭

কাজ ছাড়াই টাকা বাগিয়ে নিল ঠিকাদার

আলোকিত লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। কমপ্লেক্সটির তৃতীয় শ্রেণির একটি আবাসিক ভবন সংস্কারের জন্য পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর। কিন্তু কাজ না করেই টাকা তুলে নেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এমনি অভিযোগ উঠেছে খুলনার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স স্বাদ এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে।

হাসপাতালের তথ্যমতে, তৃতীয় শ্রেণির আবাসিক ভবনটির সংস্কারের জন্য চলতি বছরের এপ্রিল মাসে পাঁচ লাখের অধিক টাকা বরাদ্দ দেয় খুলনা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর। সংস্কার কাজের দায়িত্ব পায় মেসার্স স্বাদ এন্টারপ্রাইজ। পরবর্তীতে ঠিকাদারের লোকজন ভবনের ভেতর ও বাইরের দেয়ালে কোনো রকম রঙ-তুলির আঁচড় দিয়ে পানি-বিদ্যুৎসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো না করেই চলে যায়। বিষয়টি ওই ভবনের স্বাস্থ্য সহকারী ডাক্তার মো. আসলাম হোসেন জমাদ্দার সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারকে জানান।

এ সময় তারা বলেন, চিন্তার কোনো কারণ নেই, নিয়মানুযায়ী ভবনের সব কাজ করে দেয়া হবে। কিন্তু মিথ্যা আশ্বাসে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর যোগসাজশে পুরো বিল তুলে নেয় ঠিকাদার।

ডাক্তার আসলাম হোসেন বলেন, ভবনটির কাজ না করায় পরিবার-পরিজনকে বৃষ্টির পানি থেকে বাঁচাতে ব্যক্তিগত ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে। এছাড়া থাকার কোনো পরিবেশ ছিল না।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার মো. জামাল হোসেন শোভন বলেন, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কাজ বুঝিয়ে দেয়নি। এছাড়া তারা হাসপাতাল কতৃপক্ষের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি।

এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

প্রকৌশলী মো. এনামুল হক তালুকদার বলেন, ভবনটির কাজ সঠিকভাবে করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ঠিকাদারের কোনো গাফিলতি নেই। ভবনটিতে যারা থাকেন তাদের অভিযোগ সঠিক নয়।

সিভিল সার্জন জিকে শামসুজ্জামান বলেন, অনেক ঠিকাদার কাজে নানা অনিয়ম করে থাকেন। এমনকি কাজ বুঝিয়ে না দেয়াসহ কাগজপত্রে সাক্ষর পর্যন্ত নেয় না। তবে বিষয়টির খোঁজখবর নেয়া হবে।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
//