ব্রেকিং:
লক্ষ্মীপুরে শিশু হত্যার দায়ে মা আটক জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ অটোরিক্সা বন্ধে ট্রাফিক পুলিশের প্রচারণা মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের মধ্যে চাল বিতরণ ওসি ইকবাল হোসেনের বিদায় সংবর্ধনা স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েও স্বপদে বহাল শরীর চর্চা শিক্ষক প্রশাসনের কাজে খুশি হয়ে শ্রমিকদের আনন্দ মিছিল সাদা ছড়ি ব্যবহার করি, নিশ্চিন্তে পথ চলি লক্ষ্মীপুরে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত দোয়া দিবস পালিত ডেঙ্গু কেড়ে নিলো ব্যবসায়ীর প্রাণ ২০২৩ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে পারে বাংলাদেশ! সম্রাটের ১০ দিনের রিমান্ড আবরার হত্যাকাণ্ডকে ইস্যু বানাতে চাচ্ছে বিএনপি: কাদের বিশ্বে ৭০ কোটি শিশু পুষ্টিহীনতায় ভুগছে ইরান ও সৌদিকে সরাসরি আলোচনায় বসার প্রস্তাব ইমরান খানের নতুন প্রজন্মকে পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ার আহ্বান ঢাকায় হচ্ছে আরো দুই মেট্রোরেল দুই মাসেও সন্ধান মেলেনি স্বজনদের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার,আটক ৬ চর লরেঞ্জ ইউপি সদস্য নির্বাচনে ইসমাইল হোসেনের জয়

বুধবার   ১৬ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৬ সফর ১৪৪১

১৩

কাভার্ডভ্যানে সিএনজি স্টেশন

প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর ২০১৯  

নোয়াখালী সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কাভার্ডভ্যানে গড়ে তোলা হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ সিএনজি ফিলিং স্টেশন। এতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

উপজেলার সোনাপুরের অশ্বদিয়া সেতু ও এওজবালিয়া ইউপির হানিফ সোনাপুর-আলেকজান্ডার সড়কের ওপর চলে এ ব্যবসা। এখানে কাভার্ডভানে রাখা সিলিন্ডার থেকে পাইপ দিয়ে ভরে নিচ্ছে বিভিন্ন যানবাহন। আর তা চড়া দামেও বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কভার্ডভ্যানে সিলিন্ডার লাগিয়ে বিভিন্ন সিএনজি স্টেশন থেকে গ্যাস নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনকভাবে উপজেলার বেশ কয়েকটি স্থানে অবাধে ভ্রাম্যমাণ এ গ্যাস বিক্রি হচ্ছে। প্রথম দেখায় মনে হবে এটি কাভার্ডভ্যান। কিন্তু ভেতরে স্থাপন করা হয়েছে ৫০টির মতো গ্যাস সিলিন্ডার। এতে চরম ঝুঁকিতে থাকতে হয় স্থানীয়দের।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুর রহিম, আবদুল মোতালেব ও সিদ্দিক মিয়া জানান, প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে কাভার্ডভানে অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে গ্যাস। একাধিকবার জেলা-উপজেলা প্রশাসনকে গোপনে জানানোর পরও গ্যাস বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

অটোচালক রফিক উল্যা, আলাউদ্দিন, মেহেরাজ হোসেন বলেন, ভ্রাম্যমাণ গ্যাসের দাম কিছুটা বাড়তি হলেও হাতের নাগালে পাওয়া যায়। তাই এ গ্যাস কিনতে সবাই আগ্রহী। এতে সময়ও কম লাগে। গ্যাসের বৈধতার প্রশ্নে তারা বলেন, সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়, দেখবেন প্রশাসন।

হানিফ চেয়ারম্যান বাজারের অবৈধ গ্যাস বিক্রেতা মাকসুদ জানান, ফায়ার সার্ভিসসহ যাবতীয় কাগজপত্র নিয়েই এ গ্যাসের ব্যবসা করছেন তারা। তবে ফায়ার সার্ভিস, রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস অফিসসহ বিভিন্ন দফতরে খোঁজখবর নিয়ে তার বক্তব্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

সোনাপুর বিসিক শিল্পনগরী সংলগ্ন অশ্বদিয়া সেতুর ওপর গ্যাস বিক্রেতা সমির জানান, সদর উপজেলার পূর্ব-পশ্চিম ও দক্ষিণ অঞ্চলে কোনো সিএনজি ফিলিং স্টেশন না থাকায় তারা এ ব্যবসা করছেন। ওই অঞ্চলের যানবাহনগুলো জেলার একলাশপুর এবং পাশের ফেনীর দাগনভূঞা থেকে গ্যাস নিতে হয়। তাদের গ্যাস বিক্রির বিষয়টি প্রশাসনসহ স্থানীয়রা অবগত বলেও জানান তিনি।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাসের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মুহাম্মদ আলী বিশ্বাস বলেন, ওই এলাকায় কাভার্ডভ্যানে করে গ্যাস বিক্রির কোনো অনুমোদন দেয়া হয়নি। এ ব্যবসা তারা কীভাবে করছেন তা জানা নেই। বাখরাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষও জানিয়েছেন কাভার্ডভ্যানে গ্যাস নিয়ে অন্যত্র বিক্রি করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

সুধারাম মডেল থানার ওসি নবীর উদ্দিন বলেন, অবৈধ এ গ্যাস ব্যবসার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবসায়ী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সদর ইউএনও মো. আরিফুল ইসলাম সরদার বলেন, কাভার্ডভ্যানে জনবহুল এলাকায় এ রকম গ্যাস বিক্রি সম্পূর্ণ অবৈধ। এ বিষয়ে অচিরেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//