ব্রেকিং:
দেশ-বিদেশ যেখান থেকেই হোক, গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা : তথ্যমন্ত্রী কোভিড-১৯ টেস্ট: সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা পাচ্ছে গণস্বাস্থ্য করোনা সংকট সামলাতে ডিজিটাল ম্যাপ সমৃদ্ধের উদ্যোগ শবেবরাতের মাহাত্ম্যে মানবকল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান চীনের কাছে চিকিৎসক-ভেন্টিলেটর চেয়েছে বাংলাদেশ, সহায়তার আশ্বাস চীন থেকেই চালু হয় হারেমে একাধিক রক্ষিতা রাখার প্রথা! ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্রীকে কীটনাশক খাইয়ে হত্যার চেষ্টা অনলাইনে পরীক্ষা ও ভর্তি বন্ধে ইউজিসি’র আহ্বান করোনা ঠেকাতে স্বেচ্ছায় লকডাউনে তিনগ্রাম স্বাস্থসেবীদের জন্য সিএমপি`র ফ্রি বাস সার্ভিস দেশের জন্য আগামী ৩০ দিন আরো ঝুঁকিপূর্ণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওষুধের দোকান ছাড়া সন্ধ্যার পর সব বন্ধ রাখার নির্দেশ করোনায় আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে জার্মানরা কমলনগরে সূর্যের হাসি ক্লিনিকটি বন্ধ গত ১০ দিন করোনা সংকট: দুর্নীতির শঙ্কায় বিএনপিকে না বললেন ড. ইউনূস করোনা আতঙ্কে বন্দুক কিনছে মার্কিনিরা ৯ মিনিটের জন্য অন্ধকারে ভারত এসএসসির ফল চলে যাবে অভিভাবকদের মোবাইলে রাসূলকে (সা.) স্বপ্নে দেখার আমল খাবার নিয়ে অসহায় মানুষের সৌরভ গাঙ্গুলি
  • শুক্রবার   ১০ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৭ ১৪২৬

  • || ১৬ শা'বান ১৪৪১

১১২

গুজব নয় সত্য জানুনঃ ব্যাংক আমানতের বিপরীতে ১ লক্ষ টাকা দিচ্ছে কে?

আলোকিত লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেলে গ্রাহকদের টাকার কি হবে-- সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু কনফিউজিং তথ্য ছড়াচ্ছে। অনেকেই বলছে ব্যাংকে আপনার যত টাকা জমা থাকুক, দেউলিয়া হয়ে গেলে ফেরত পাবেন মাত্র ১ লক্ষ টাকা। 
এই গুজবে অনেক আমানতকারী এখন আতঙ্কগ্রস্ত। এক্ষেত্রে সত্যতা না জেনে অনর্থক গুজবে কান না দিতে সবাইকে প্রথমেই আহ্বান জানাচ্ছি। সবাই বিশারদ হয়ে গেলে সমস্যা তো!
যারা ছড়াচ্ছিলো ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেলে আমানতকারিরা যতো টাকাই রেখেন না কেনো, মাত্র ১ লক্ষ করে ফেরত পাবেন, তাদের জ্ঞাতার্থে নিচের পয়েন্টগুলোঃ 

# ধরা যাক, আমি ‘ক’ নামক একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৫ লক্ষ টাকা আমানত রেখেছি তিন বছরের জন্য। ৩ বছর শেষে আমি প্রতিষ্ঠানটির নিকট মুনাফাসহ ৭ লক্ষ টাকা প্রাপ্য। এর মধ্যে হঠাৎ করে ‘ক’ আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি অবসায়ন বা বন্ধ ঘোষণা করা হলো। এখন স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসে আমার আমানতের কী হবে?

# রেগুলেটরি অথরিটি কর্তৃক আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির সমস্ত সম্পদ বিক্রয় করে ক্যাশ টাকায় রূপান্তর করা হবে। সাধারণ আমানতকারীকের পাওনা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরিশোধ করা হবে।

# ধরুন, আমার মতো আমানতকারীর সংখ্যা ১০০ জন। সবাই ৫ লক্ষ টাকা করে আমানত রেখেছেন। তাহলে সাধারণ আমানতকারীদের আমানতের পরিমাণ ৫ কোটি টাকা। ৩ বছর শেষে ‘ক’ প্রতিষ্ঠানটির নিকট সাধারণ আমনতকারীদের প্রাপ্য ৭ কোটি টাকা।

# আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির সমস্ত সম্পদ বিক্রয় করার পর ক্যাশ টাকার পরিমাণ দাঁড়ালো ৭ কোটি টাকা। তাহলে সাধারণ আমানতকারীরা পুরো টাকাই ফেরত পাবেন মুনাফাসহ।

# যদি ক্যাশ টাকার পরিমাণ ৭ কোটি টাকার কম হয় সেক্ষেত্রে কী হবে? ধরুন, ৬ কোটি টাকা হলো। সেক্ষেত্রে আমানতকারীরা আনুপাতিক হারে টাকা পাবেন। এক্ষেত্রে ১০০ জন আমানতকারী ৬ লক্ষ টাকা করে পাবেন।

# আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির কাছে আমার প্রাপ্য ৭ লক্ষ টাকা। কিন্তু আমি পাচ্ছি ৬ লক্ষ টাকা। তাহলে বাকি ১ লক্ষ টাকার কী হবে?

# আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সাধারণ আমানতকারীগণ এতদিন বীমার আওতায় ছিলেন না। সম্প্রতি সরকার আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের আমানতকারীদের বীমা সুরক্ষা দেওয়ার চিন্তা করছেন যা “আমানতকারী সুরক্ষা আইন, ২০২০” নামে ইতোমধ্যেই মন্ত্রীসভার নীতিগত অনুমোদন লাভ করেছে এবং সংসদে আইনটি পাশ হলেই বিষয়টি কার্যকর হবে।

# এ সুরক্ষা আইনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগকারী সাধারণ আমানতকারীগণ সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বীমা সুরক্ষা পাবেন। আমি যেহেতু এ সুরক্ষা আইন কার্যকর হওয়ার আগে আমানত রেখেছি, সেহেতু এ আইনে আমি সুরক্ষা পাবো না। আইনটি কার্যকর হওয়ার পর থেকে যারা এসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আমানত রাখবেন, তারা এ আইনের আওতায় সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বীমা সুরক্ষা পাবেন।

# ব্যাংকসমূহের ক্ষেত্রে সাধারণ আমানতকারীদের জন্য এ সুরক্ষাটি ১৯৮৩ সালের অর্ডিন্যান্সে পাস করা হয় এবং পরবর্তীতে “ব্যাংক আমানত বীমা আইন, ২০০০” (২০০০ সনের ১৮নং আইন) নামে পাস করা হয়।"
..
অতএব মিছে গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে বীমার আশ্রয় নিন

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
অর্থনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর
//