ব্রেকিং:
নতুন বছরেই আকাশে দেখা যাবে ‘ফেইক মুন’ মন্দিরে পুরোহিতের বদলে মন্ত্র পড়াচ্ছে রোবট! ভাঙনেও থেমে নেই মাটি কাটা লোভনীয় চাকরি ছেড়ে বাইক নিয়ে দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেন তরুণী পানিতে ডুবে শিশুর করুন মৃত্যু শিশুর পানিশূন্যতার লক্ষণ ও করণীয় পাকা চুল টেনে তুলে অজান্তেই নিজের ক্ষতি করছেন? অবকাঠামো সংকটে বেহাল লক্ষ্মীপুর বিসিক রামগতিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ পেট্রোবাংলা ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে রামগঞ্জে নারীর ক্ষমতায়নে উঠান বৈঠক লক্ষ্মীপুরে ৭’শ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে বৃত্তি পরীক্ষা উপজেলা বিএমজিটিএ’র সম্মেলন অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরে আইডিয়াল ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পেল ৪০০ শিক্ষার্থী চুরি ঠেকাতে দিন-রাত পেঁয়াজ ক্ষেতে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্ব ক্যারমে পঞ্চম হেমায়েত মোল্লা বিয়ের আগে একমাত্র কন্যাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ মিথিলার চর মার্টিনে নেতৃত্বে আসতে চান বেলায়েত সকল সমুদ্র বন্দরের সংযোগ নেটওর্য়াক হবে ভোলা-লক্ষ্মীপুর সেতু লক্ষ্মীপুরে গুলিবিদ্ধ দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার

রোববার   ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৩ ১৪২৬   ১০ রবিউস সানি ১৪৪১

চা ও মাছের বর্জ্যে মিলবে সার-জ্বালানি

প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০১৯  

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) একটি গবেষণায় জ্বালানি খাতে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। চা ও মাছের বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনে প্রথমবারের মত সফল হয়েছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন, শিক্ষার্থী শঙ্খরূপা দে এবং জিনাত জাহান। 

ব্যবহৃত চা, মাছ ও গবাদিপশুর বর্জ্য সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বায়োগ্যাস উৎপাদনের পাশাপাশি সার হিসেবে ব্যবহারের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। গবেষণায় দেখা যায় ভিন্ন ভিন্ন অনুপাতে মাছ, চা ও গরুর সমন্বিত বর্জ্য হতে ৭২ মিলি. এবং ৪৫  মিলি, গরু ও চায়ের সমন্বিত বর্জ্য থেকে ৩৫ মিলি এবং গরু ও মাছের সমন্বিত বর্জ্য হতে ৬৫ মিলি বায়োগ্যাস বা মিথেন পাওয়া গিয়েছে।

গবেষণাসংশ্লিষ্টরা জানান, বিশ্বে দিনেদিনে জীবাশ্ম জ্বালানির চাহিদা বাড়লেও পাল্লা দিয়ে কমছে তার মজুদ ও উৎস। তাই বিশ্বব্যাপী নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করনে নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে বায়োগ্যাস উন্নত বিশ্বে এখন বহুল পরিমাণে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্জ্য ভেদে বায়োগ্যাস থেকে ৬০-৬৫% মিথেন গ্যাস পাওয়া যায়। বাংলাদেশে প্রতিদিন ব্যাপক পরিমাণ চা, মাছ ও গবাদিপশুর বর্জ্য তৈরি হয়, যা সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে পরিবেশের উপর নানাবিধ ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। এই বর্জ্য পঁচে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস নির্গত হয় যা গ্রিনহাউজ গ্যাস হিসেবে কার্বনডাইঅক্সাইড এর চেয়ে ২৫ গুণ বেশি ক্ষতিকর। মাছের বর্জ্য, চায়ের বর্জ্য ও গোবর মিশিয়ে ৬৫ % নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন করা সম্ভব। তাছাড়া জ্বালানি উৎপাদনের পর অপচ্য বর্জ্য থেকে সার ও মাছের খাবার উৎপন্ন হয়।

ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন বলেন, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বৃহৎ পরিসরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা হলে বাংলাদেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন দিগন্তের সূচনা করা সম্ভব হবে। এটিও আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত লাভজনক হবে বলে আমি মনে করি।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//