ব্রেকিং:
বিদ্যালয়ের শরীরে বিজয়ের ছাপ লক্ষ্মীপুরে কোরআন হাফেজদের পাগড়ি প্রদান পল্লী বিদ্যুৎতের গ্রাহক হয়রানী বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন লক্ষ্মীপুরে গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার কমলনগরে বিএমজিটিএ’র সম্মেলন সরকারি কলেজে অনার্স কোর্স সমাপনী উৎসব রোগী আছে, ওষুধ নেই বছরজুড়েই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু আদালত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি সাবেক অধিনায়করা শুদ্ধি অভিযান সফল করতে হবে: কাদের নিজেকে ইসরায়েলের সেরা বন্ধু দাবি করলেন ট্রাম্প বিয়ের পাঁচদিন পরই অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীকে তালাক ৩৯তম বিসিএসে আরো ১৬৮ জন চিকিৎসক নিয়োগ আনসারুল্লাহর চার জঙ্গি গ্রেফতার বাসে নারীদের চলাচল: বিপদ এড়াতে পুলিশের পরামর্শ শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস রুম্পার কথিত প্রেমিক সৈকত ৪ দিনের রিমান্ডে সভাপতির ‘হ্যাঁ’ সম্পাদকের ‘না’ কমলনগরে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সম্মেলন স্থগিত লক্ষ্মীপুর-পানপাড়া-রামগঞ্জ সড়ক নয় যেন মরণ ফাঁদ

সোমবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৬   ১১ রবিউস সানি ১৪৪১

৬৯৫

ঠিকাদারের অবহেলায় শিশুর করুণ মৃত্যু

প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০১৯  

লক্ষ্মীপুরের সদরে ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো পার হতে গিয়ে খালে পড়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার বিকেলে উপজেলার হাজিরপাড়া ইউপির উত্তর চন্দ্রপুর গ্রাম সংলগ্ন রহমতখালী নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ডুবুরিরা।

মৃত মাহি আক্তার ওই গ্রামের সুমন হোসেনের মেয়ে ও উত্তর চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এর আগে সকালে সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম বাবুল পাটওয়ারী জানান, সকালে নানার বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য রওয়ানা হয় মাহি। এ সময় এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোটি পার হতে গিয়ে রহমতখালী নদীতে পড়ে পানির স্রোতে হারিয়ে যায় সে। এরপর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু তাদের সঙ্গে ডুবুরি না থাকায় তাৎক্ষণিক উদ্ধারকাজ শুরু করতে পারেননি।

ইউপি চেয়ারম্যান আরো জানান, বিকেলে চাঁদপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের চারজনের একটি ডুবুরি দল এসে উদ্ধারকাজ শুরু করে। এরপর পৌনে এক ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর সাঁকো থেকে প্রায় পাঁচশ গজ দূরে মাহির মরদেহের সন্ধান মেলে।

লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. ওয়াসী আজাদ জানান, ধারণা করা হচ্ছে পানির প্রবল স্রোতে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় মাহি। এতে পানিতে ডুবেই তার মৃত্যু হয়।

তিন বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ওই সাঁকোটির স্থলে সেতু নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয় সরকার। কিন্তু ঠিকাদারের অনিয়ম আর অবহেলায় সেতুটির নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। প্রতিনিয়তই এ এলাকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ ঝুঁকি নিয়ে সাঁকোটি ব্যবহার করছে।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//