ব্রেকিং:
মুখোষধারীদের স্থান নেই লক্ষ্মীপুর কলেজ ছাত্রলীগে রামগঞ্জে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৮ ইউপি সদস্যের অনাস্থা মায়ের কোলে ফিরেই সুখবর পেলেন ক্রিকেটার হাসান হলি গার্লস স্কুলের পিঠা উৎসব অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিকের উপর হামলা কারীদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে,, সাংবাদিক দম্পত্তির ওপর হামলার ঘটনায় বিচার দাবি করছে বিএমএসএফ কমলনগরের ল্যান্স কর্পোরাল খোকনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের কোন ছাড় নয় হিন্দি সিরিয়ালে আসক্তি কাটানোর দারুণ উপায় ইউক্রেনের প্লেন বিধ্বস্তের ঘটনায় নতুন তথ্য দিল রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা পেল ২৬ পরিবার চীনে প্রাণঘাতী নতুন ভাইরাস, শাহজালাল বিমানবন্দরে সতর্কতা পেছালো দুই সিটির নির্বাচন চোরাকারবারিদের ধরলেও তদন্তের ক্ষমতা নেই কাস্টমসের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি ফের নামছে হাড় কাঁপানো শীত দেশের খাদ্য-পুষ্টির চাহিদা পূরণে উদ্ভিদের গুরুত্ব অপরিসীম পাকিস্তান সফরে টাইগারদের দল ঘোষণা এক ফুলকপিতে ১০ মারাত্মক রোগ মুক্তি! বিশ্বের সবচেয়ে বড় কেক, দৈর্ঘ্যে সাড়ে ছয় কিলোমিটার!

রোববার   ১৯ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৬ ১৪২৬   ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

৪৮

তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২০  

দ্রুতগতির ব্যান্ডউইথ সেবা নিশ্চিত করতে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আশা করা যাচ্ছে সরকারের এই সিদ্ধান্ত ফাইভ জি বা পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তির যুগে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধিতে মাইলফলক হবে। 

জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এই সম্মিলিত উদ্যোগে (কনসোর্টিয়াম) যুক্ত হতে চুক্তি করবে সরকার। ২০২৩ সালের জুন থেকে সাবমেরিনের মূল ক্যাবলের সুবিধা পাবে বাংলাদেশ। এতে আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত ইন্টারনেটের চাহিদা মিটবে। 

এরইমধ্যে, নতুন সাবমেরিন ক্যাবলের জন্য গঠিত সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামের সদস্য হয়েছে বাংলাদেশ। সিঙ্গাপুর ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী স্থানে সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হবে এই ক্যাবল। কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে কক্সবাজার থেকে সিঙ্গাপুরের দিকে ও কক্সবাজার হতে ফ্রান্সের দিকে ৫ টেরাবাইট করে মোট ১০ টেরাবাইট ব্যান্ডউইথ ইন্টারনেট পাবে বাংলাদেশ। এতে যুক্ত হতে কক্সবাজার ল্যান্ডিং স্টেশন হতে গভীর সমুদ্রের মূল লাইনের দূরত্ব হবে এক হাজার ৮৫০ কিলোমিটার। এ সংযোগের জন্য খরচ হবে ৬৯০ কোটি টাকা। যার ৮৯ শতাংশ খরচ হবে শুধু ক্যাবল বাবদ। 

 

সাবমেরিন ক্যাবল সংযুক্ত করার কাজ চলছে - ফাইল ফটো

সাবমেরিন ক্যাবল সংযুক্ত করার কাজ চলছে - ফাইল ফটো

এ প্রসঙ্গে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা এখন ফাইভ জি প্রযুক্তির যুগে আছি। কিন্তু এখনো নিম্নমানের ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করছি। এই বাস্তবতায় প্রযুক্তির উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মাইল ফলক হয়ে আসবে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল। 

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রযুক্তিগত উন্নয়ন করেছে। তার সঙ্গে নতুন সাবমেরিন ক্যাবল দীর্ঘমেয়াদি চাহিদা মেটাবে। সূত্র জানায়, সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামে সিঙ্গাপুর-ফ্রান্স সংযোগের ক্যাবল দূরত্ব ২০ হাজার কিলোমিটার। এই ক্যাবলটিতে বাংলাদেশ ছাড়াও ১৬টি দেশ সংযুক্ত হবে। এরমধ্যে চীন থেকেই যুক্ত হবে ৩টি কোম্পানি। ল্যান্ডিং স্টেশন থাকবে ২০টি। গত বছর ১৪ সেপ্টেম্বর এই কনসোর্টিয়ামে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ। সিঙ্গাপুর-ফ্রান্স পর্যন্ত সি-মি-উই ৬ এর যে মূল রুট হবে সেটি বাংলাদেশ হতে ১৮৫০ কিলোমিটার দূর দিয়ে যাবে। এই দূরত্বই হচ্ছে বাংলাদেশের নিজেদের রুট। আর নিজেদের রুটের ক্যাবল বসানোর পুরো খরচ বহন করবে বাংলাদেশ। সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামের সদস্যরা যৌথভাবে শুধু মূল লাইনের খরচ বহন করবে যেটি সিঙ্গাপুর-ফ্রান্স বসছে। 

মূলত, বঙ্গোপসাগরের নিচে সিঙ্গাপুর-শ্রীংকার মধ্যবর্তী কোনো একটি স্থানে বাংলাদেশের নিজেদের ব্রাঞ্চ স্থাপন করা হবে। আর এ কাজটি করবে কনসোর্টিয়ামের কাজ পাওয়া কোম্পানি। সিঙ্গাপুরে কনসোর্টিয়ামের দরপত্র মূল্যায়ন ও চূড়ান্তকরণ কার্যক্রম যে কোম্পানি সি-মি-উই ৬ এর কাজ পাবে, তারা প্রি-লে সার্ভে করার পরই এটি চূড়ান্ত হবে। 

 

সমুদ্রের নীচে দিয়ে যাওয়া সাবমেরিন ক্যাবল - ফাইল ফটো

সমুদ্রের নীচে দিয়ে যাওয়া সাবমেরিন ক্যাবল - ফাইল ফটো

ব্র্যাঞ্চিং ইউনিট হতে ক্যাবল এসে কক্সবাজারের ল্যান্ডিং স্টেশনে সংযোগ হবে। এই স্টেশন সি-মি-উই ৪ হলো, দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের স্টেশন। এটি এক্সটেনশন করে সি-মি-উই ৬’র জন্য ব্যবহার করা হবে। সি-মি-উই হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিম ইউরোপের সংক্ষিপ্ত নাম। এই এলাকার মধ্য দিয়ে ক্যাবলটি স্থাপিত বলে প্রতিটি ক্যাবলের নামে এমনটা যুক্ত থাকে। 

সর্বশেষ সি-মি-উই ৫ কনসোর্টিয়ামে এই এলাকার দেশগুলোর মধ্যে ছিল বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, ইউএই, জিবুতি, মিসর, তুরস্ক, ইতালি, ফ্রান্স, মিয়ানমার, ইয়েমেন। এই ১৯ দেশ ১৯টি ল্যান্ডিং পয়েন্টের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে।

২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সাবমেরিন ক্যাবল আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামে ‘সি-মি-উই-৪’ এ যুক্ত হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সি-মি-উই-৫ চালু হয় ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//