ব্রেকিং:
লক্ষ্মীপুরে শিশু হত্যার দায়ে মা আটক জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ অটোরিক্সা বন্ধে ট্রাফিক পুলিশের প্রচারণা মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের মধ্যে চাল বিতরণ ওসি ইকবাল হোসেনের বিদায় সংবর্ধনা স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েও স্বপদে বহাল শরীর চর্চা শিক্ষক প্রশাসনের কাজে খুশি হয়ে শ্রমিকদের আনন্দ মিছিল সাদা ছড়ি ব্যবহার করি, নিশ্চিন্তে পথ চলি লক্ষ্মীপুরে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত দোয়া দিবস পালিত ডেঙ্গু কেড়ে নিলো ব্যবসায়ীর প্রাণ ২০২৩ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে পারে বাংলাদেশ! সম্রাটের ১০ দিনের রিমান্ড আবরার হত্যাকাণ্ডকে ইস্যু বানাতে চাচ্ছে বিএনপি: কাদের বিশ্বে ৭০ কোটি শিশু পুষ্টিহীনতায় ভুগছে ইরান ও সৌদিকে সরাসরি আলোচনায় বসার প্রস্তাব ইমরান খানের নতুন প্রজন্মকে পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ার আহ্বান ঢাকায় হচ্ছে আরো দুই মেট্রোরেল দুই মাসেও সন্ধান মেলেনি স্বজনদের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার,আটক ৬ চর লরেঞ্জ ইউপি সদস্য নির্বাচনে ইসমাইল হোসেনের জয়

বুধবার   ১৬ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৬ সফর ১৪৪১

৫৩২

পর্যটনের অপার সম্ভাবনা লক্ষ্মীপুরের তিন চর

প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০১৯  

লক্ষ্মীপুরে নতুন করে জেগে উঠা মেঘনা নদীর পাশে তিনটি চর দেখা যায়। এগুলো পর্যটনের জন্য অপার সম্ভাবনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চরগুলো হলো সদর উপজেলার চর রমণী মোহন ইউনিয়নে চর মেঘা, কমলনগর উপজেলার কালকিনি ইউনিয়নে চর কাকড়া ও চর শামছুদ্দিন। 

নতুন এ তিনটি চর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে ম্যানগ্রোভ বনায়ন অথবা ঝাউ বাগান করলে পর্যটনের জন্য বিখ্যাত হয়ে উঠবে। বনায়নের ফলে একদিকে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে ভূমি ক্ষয়রোধ কমবে এবং উপকূলীয় এলাকার মানুষ জলবায়ু পরিবর্তন জনিত দূর্যোগের কবল থেকে রক্ষা পেতে পারে। পাশাপাশি ঢাকা থেকে ভোলা, বরিশাল, হাতিয়া, চট্টগ্রামসহ দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের চলাচলকারী মানুষেরা পর্যটক হিসেবে ঘুরতে যাবে চর গুলোতে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে সাগর ও নদীতে জেগে নতুন চর গুলো বন্দোবস্ত দেয়া যাবে না। ফলে এ চর গুলো একমাত্র বনায়নের জন্য উপযোগী বলে স্থানীয়রা মনে করে। তবে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের আন্তরিকতা থাকলে এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা সম্ভব।

ইতোমধ্যে মেঘনার অব্যাহত ভাঙ্গণে কমলনগর ও রামগতি উপজেলার প্রায় ৬ টি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় নদীতে তলিয়ে গেছে। এরই মধ্যে জেগে উঠছে নতুন চরগুলো।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সদর উপজেলার চর রমণী মোহন ইউনিয়নে নতুন করে জেগে উঠা চর মেঘা, কমলনগর উপজেলার চর কাকড়া ও চর শামছুদ্দিন। তিনটি চরের আয়তন প্রায় ১২ হাজার একর। নতুন করে সম্ভাবনা মেঘনা নদীর পাশে জেগে উঠা চর গুলো লক্ষ্মীপুরের জন্য আগামীতে পর্যটনের সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন অনেকে।

কমলনগর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মো. আফজাল কালাম বলেন, ‘উপজেলার মেঘনা নদীতে চর কাকঁড়া নামক নতুন একটি ডুবো চর তৈরি হয়। এতে ৭ হাজার ৪ একর ভূমি রয়েছে। এসব ভূমি বর্তমানে জরিপে খাস জমি হিসেবে অন্তভূক্ত রয়েছে। সরকার ইচ্ছা করলে এই চরে নতুন কিছু করতে পারে। পাশাপাশি চর শামছুদ্দিন ও বনায়নসহ বিভিন্ন প্রকল্পে অর্ন্তভুক্তি করতে পারে।’
লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা শফিকুর রিদোয়ান আরমান শাকিল বলেন, ‘আমি লক্ষ্মীপুরে যোগদানের পর চর মেঘা দেখতে চাই। আমার মনে হচ্ছে সাধারণ মানুষ চর মেঘা ঘুরতে যেতে চায়। কিন্তু প্রয়োজনীয় কাঠামো, নিরাপত্তা ও দর্শনের কিছু থাকলে তা সম্ভব হবে। বনায়নের মতো এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া যায় কিনা তা আমরা ভাবছি।’

লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল বলেন, ‘চর মেঘা, চর শামছুদ্দিন, চর কাকড়া এই ৩ টি চর বনায়ন কর্মসূচির আওতায় আনা যায় কিনা আমরা সরেজমিনে গিয়ে দেখবো। উপযোগী হলে মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে বন বিভাগকে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বলবো।’

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//