ব্রেকিং:
নতুন বছরেই আকাশে দেখা যাবে ‘ফেইক মুন’ মন্দিরে পুরোহিতের বদলে মন্ত্র পড়াচ্ছে রোবট! ভাঙনেও থেমে নেই মাটি কাটা লোভনীয় চাকরি ছেড়ে বাইক নিয়ে দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেন তরুণী পানিতে ডুবে শিশুর করুন মৃত্যু শিশুর পানিশূন্যতার লক্ষণ ও করণীয় পাকা চুল টেনে তুলে অজান্তেই নিজের ক্ষতি করছেন? অবকাঠামো সংকটে বেহাল লক্ষ্মীপুর বিসিক রামগতিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ পেট্রোবাংলা ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে রামগঞ্জে নারীর ক্ষমতায়নে উঠান বৈঠক লক্ষ্মীপুরে ৭’শ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে বৃত্তি পরীক্ষা উপজেলা বিএমজিটিএ’র সম্মেলন অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরে আইডিয়াল ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পেল ৪০০ শিক্ষার্থী চুরি ঠেকাতে দিন-রাত পেঁয়াজ ক্ষেতে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্ব ক্যারমে পঞ্চম হেমায়েত মোল্লা বিয়ের আগে একমাত্র কন্যাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ মিথিলার চর মার্টিনে নেতৃত্বে আসতে চান বেলায়েত সকল সমুদ্র বন্দরের সংযোগ নেটওর্য়াক হবে ভোলা-লক্ষ্মীপুর সেতু লক্ষ্মীপুরে গুলিবিদ্ধ দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার

রোববার   ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৩ ১৪২৬   ১০ রবিউস সানি ১৪৪১

পর্যাপ্ত সবজি, ঝাঁজ কমেনি পেঁয়াজের

প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০১৯  

রাজধানীর বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে শীতের সবজির সরবরাহ রয়েছে। শীতের শাক-সবজি মধ্যে ফুলকপি, পাতাকপি, মুলা, শালগম, শিম, পালংশাক, মুলাশাক, সরিষা শাকের সরবরাহ বাড়ায় কিছুটা দাম কমেছে সবজির।

এরইমধ্যে অর্ধেকে নেমেছে শিমের দাম। পাকা টমেটোর দাম কেজিতে কমেছে ২০-২৫ টাকার বেশি। তবে কমেনি পেঁয়াজের দাম। এখনো পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকার ওপরে।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কচুক্ষেত,মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এসব চিত্র।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীতকালীন শাক-সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। সামনে সরবরাহ আরো বাড়বে। ফলে সবজির দাম আরো কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে কিছু সবজির দাম কমলেও এখনো ফুলকপি, বাঁধাকপি, বরবটি, শসা, গাজরের দামে স্বস্তি মিলছে না। এ সবজিগুলো এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি শিম ৫০-৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। আর কারওয়ানবাজারে পাইকারিতে শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা।

কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী আলিম উদ্দিন বলেন, গত সপ্তাহে যে শিমের পাল্লা (৫ কেজি) ৩০০ টাকা বিক্রি করেছি, আজ তা ১৮০-২০০ টাকা পাল্লা বিক্রি করছি। সামনে শিমের দাম আরো কমবে। 

বাজারের আরেক ব্যবসায়ী রইস উদ্দিন বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে পাঁকা টমেটোর দাম কমেছে। এর কারণ বাজারে এখন কাঁচা টমেটোর পাশাপাশি দেশি পাকা টমেটোও আসছে।

তিনি জানান, গত সপ্তাহে ৪০০ টাকা পাল্লা বিক্রি হওয়া টমেটো এখন ২৮০-৩০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এ হিসাবে কেজিতে টমেটোর দাম কমেছে ২০-২৫ টাকা।

এদিকে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১০০-১২০ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা টমেটোর দাম কমেছে ৩০ টাকার ওপরে।

শেওড়াপাড়া কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী কবীর মিয়া বলেন, শিম, টমেটো, মুলা, শালগমের দাম কমতে শুরু করেছে। এখন দিন যত যাবে, আস্তে আস্তে সব ধরনের সবজির দাম কমবে। অনেক সবজি ৩০ টাকা কেজির মধ্যে পাওয়া যাবে।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে নতুন আসা গোল আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০-১০০ টাকা। বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকা কেজি, গত সপ্তাহেও সবজিটির দাম একই ছিল। ফুলকপি ও বাঁধাকপি আগের সপ্তাহের মতো ৩০-৪০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। পেঁপেও আগের মতো ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনের দাম কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে ৮০-১০০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া বেগুনের দাম কমে ৪০-৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। মুলার কেজি ৫০ টাকা থেকে কমে ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর করলা আগের মতো ৬০-৭০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

মোহাম্মদপুর কাঁচাবাজার এলাকার বাসিন্দা করিম উদ্দীন বলেন, এখন শীতের সবজির ভরা মৌসুম। বাজারে সব ধরনের শীতের সবজি রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সব ধরনের সবজির দাম কমার কথা। শিম, মুলার দাম কিছুটা কমেছে, কিন্তু যে হারে সবজির দাম কমার কথা সে হারে কমেনি। এখন ছোট ছোট এক পিস ফুলকপি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে কোনো উদ্যোগেই দাম কমছে না পেঁয়াজের। সেই আগের মতই আবারো দেশি পেঁয়াজের দাম ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা। আর মিয়ানমারের একটু ভালো মানের পেঁয়াজ ২০০ টাকা ও চীন থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর বাজারে প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। আদা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

অপরদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ৫-১০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১১০-১২০ টাকা কেজি দরে। এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ১১৫-১২৫ টাকা প্রতি কেজি দরে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০০-৫২০ টাকায়। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৭৫০ টাকা দরে।

রুই মাছ কেজি প্রতি ৩০০ টাকা, কাতলা ২৮০-৩৫০, শিং ৪০০, চিংড়ি ৪৫০ থেকে ৬৫০, টেংরা ৫৫০-৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শোল মাছ প্রতি পিস ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//