ব্রেকিং:
দেশের খাদ্য-পুষ্টির চাহিদা পূরণে উদ্ভিদের গুরুত্ব অপরিসীম পাকিস্তান সফরে টাইগারদের দল ঘোষণা এক ফুলকপিতে ১০ মারাত্মক রোগ মুক্তি! বিশ্বের সবচেয়ে বড় কেক, দৈর্ঘ্যে সাড়ে ছয় কিলোমিটার! কেরানীর হাতে শিক্ষক-শিক্ষিকা লাঞ্ছিত প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন বিজ্ঞান ভবন খাল থেকে মাটি উত্তোলন, ৫টি গাড়ি জব্দ ব্রেকআপের আগে নিজেকে অবশ্যই চারটি প্রশ্ন করুন সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে সাংকেতিক যন্ত্রপাতি বিতরণ ‘বিএনপি ইভিএম নিয়ে বিষোদগার করছে’ ‘এক বছরে বিমানে লাভ ২৭৩ কোটি টাকা’ রেমিটেন্সে নতুন রেকর্ড, ১৫ দিনেই ১ বিলিয়ন দূর্গম চরেও ঠাঁই হচ্ছেনা ভূমিহীনদের ইতিহাসের এ দিনে (১৮ জানুয়ারি) দুই অধ্যক্ষকে বিএনসিসি’র গার্ড অব অনার পত্রিকা বিক্রেতার সহযোগীতায় এগিয়ে এলো আমাদের লক্ষ্মীপুর সাংবাদিক দম্পতিকে মারধরের ঘটনায় আল্টিমেটাম ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৮ সদস্যের অনাস্থা গ্রামপুলিশদের মাঝে টর্চ লাইট ও কম্বল বিতরণ ফেরি সংকটে আটকা পাঁচ শতাধিক যানবাহন

শনিবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৫ ১৪২৬   ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি পাঠ্য বই বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২০  

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি পাঠ্য বই বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার দুপুরে স্থানীয় এক হকারের কাছে বিক্রির সময় ১ শ ২৫ কেজি সরকারি বই এবং  ১ শ ১৫ কেজি পরীক্ষার খাতা আটক করা হয়। প্রতি কেজি বই ৮ টাকা ও খাতা ৯ টাকায় বিক্রি করা হয়।  

উপজেলার ৭ নম্বর বিরিশিরির দক্ষিণ ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম সরকারি বইগুলো অবৈধ ভাবে বিক্রি করেছেন বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সদস্যরা আটক প্রাথমিক শাখার সরকারি বই ও পরীক্ষার খাতাগুলো নিয়ে আসেন।

১৯৬৩ সালে দক্ষিণ ভবানীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। ১৯৭৩ সালে বিদ্যালয়টিকে সরকারিকরণের আওতায় আনে সরকার। বর্তমানে শিশু শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ২ শ ৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।  

স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম জানান, শুধু বই নয়, প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর থেকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সঙ্গে যোগসাজসে বিদ্যালয়ের চত্বরের গাছ থেকে শুরু করে নানা রকম দুর্নীতি করে আসছেন তিনি। শিক্ষার্থী বই চাইলেই বলেন, বই নেই।  

প্রধান শিক্ষক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে বইগুলো পড়ে আছে। ফলে কক্ষ সবসময় বন্ধ করে রাখতে হয়। তাই বই, খাতাগুলো বিক্রি করেছি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সরকারি বই বিক্রির কোনো অনুমতি নেই। তিনি যে কাজটি করেছেন তা পুরোপুরি অন্যায়। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//