ব্রেকিং:
মুখোষধারীদের স্থান নেই লক্ষ্মীপুর কলেজ ছাত্রলীগে রামগঞ্জে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৮ ইউপি সদস্যের অনাস্থা মায়ের কোলে ফিরেই সুখবর পেলেন ক্রিকেটার হাসান হলি গার্লস স্কুলের পিঠা উৎসব অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিকের উপর হামলা কারীদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে,, সাংবাদিক দম্পত্তির ওপর হামলার ঘটনায় বিচার দাবি করছে বিএমএসএফ কমলনগরের ল্যান্স কর্পোরাল খোকনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের কোন ছাড় নয় হিন্দি সিরিয়ালে আসক্তি কাটানোর দারুণ উপায় ইউক্রেনের প্লেন বিধ্বস্তের ঘটনায় নতুন তথ্য দিল রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা পেল ২৬ পরিবার চীনে প্রাণঘাতী নতুন ভাইরাস, শাহজালাল বিমানবন্দরে সতর্কতা পেছালো দুই সিটির নির্বাচন চোরাকারবারিদের ধরলেও তদন্তের ক্ষমতা নেই কাস্টমসের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি ফের নামছে হাড় কাঁপানো শীত দেশের খাদ্য-পুষ্টির চাহিদা পূরণে উদ্ভিদের গুরুত্ব অপরিসীম পাকিস্তান সফরে টাইগারদের দল ঘোষণা এক ফুলকপিতে ১০ মারাত্মক রোগ মুক্তি! বিশ্বের সবচেয়ে বড় কেক, দৈর্ঘ্যে সাড়ে ছয় কিলোমিটার!

রোববার   ১৯ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৬ ১৪২৬   ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

৬০১

প্রায় তিন যুগ ধরে বিছানায় বড় ভাই, শিকলবন্দী ছোট ভাই

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২০  

জন্ম থেকে শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় দীর্ঘ ৩২ বছর ধরে এক বিছানায় দিন কাটছে বড় ভাই খোরশেদ আলমের। এদিকে, তার ছোট ভাই মোরশেদ আলম মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাকে পাঁচ বছর ধরে শিকলবন্দী করে রাখা হয়েছে। 

এ দুই প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন লক্ষ্মীপুরের চররুহিতা ইউপির চর লামচী গ্রামের বাসিন্দা রিকশাচালক আজাদ হোসেন ও খুরশিদা বেগম দম্পতি। অর্থের অভাবে তাদের চিকিৎসা করাতে পারছেন না তারা। এ অবস্থায় সরকারের কাছে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

পরিবার থেকে জানায়, জন্মের পর সাত বছর পর্যন্ত ভালো ছিল মোরশেদ। হঠাৎ করে খিঁচুনি উঠে মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে যায় সে। অর্থাভাবে তার বাবা চিকিৎসাও করাতে পারছেন না।

এদিকে, তাদের প্রথম সন্তান খোরশেদ আলমও ঘরে কাতরাচ্ছেন। জন্ম থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় ৩২ বছর ধরে এক বিছানায় দিন কাটছে তার। তবে হাঁটতে পারার স্বপ্ন দেখেন খোরশেদ। তিনি বলেন, আমি একটু হাঁটতে চাই, আমার অসুখের কারণে আমি বিছানা থেকে উঠতে পারি না।
 
রিকশাচালক বাবা আজাদ জানান, আগে রিকশা চালিয়ে কোনোভাবে তাদের ওষুধপত্রসহ যাবতীয় খরচ চালাতাম। কিন্তু পা ভেঙে যাওয়ায় এখন আর রিকশা চালাতে পারি না। বাড়ির পাশে পান দোকান দিয়ে সংসার চালাতে হয়। কিন্তু এতে সংসার চলে না। কোনদিন খেয়ে কোনদিন না খেয়ে থাকতে হয়। সরকারিভাবে যদি দুই সন্তানের চিকিৎসা ব্যয় বহন করা হয় তাহলে ছোট ছেলেটা সুস্থ হতে পারে আর বড় ছেলেটা অন্তত হুইল চেয়ারে বসতে পারতো।

মা খুরশিদা বেগম জানান, আমরা দুই প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। প্রতি ছয় মাস পরপর ৪২০০ টাকা করে প্রতিবন্ধী ভাতা পেলেও তা দিয়ে কিছুই হচ্ছে না।

এলাকাবাসীরাও বলছেন, সরকারি সহযোগিতার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানরা এসব পরিবারের সেবায় এগিয়ে আসলে বদলে যাবে তাদের জীবন।

এ ব্যাপারে সদর ইউএনও শফিকুর রেদোয়ান আরমান শাকিল বলেন, এ দুই প্রতিবন্ধীর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করাসহ সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//