ব্রেকিং:
লক্ষ্মীপুরে শিশু হত্যার দায়ে মা আটক জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ অটোরিক্সা বন্ধে ট্রাফিক পুলিশের প্রচারণা মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের মধ্যে চাল বিতরণ ওসি ইকবাল হোসেনের বিদায় সংবর্ধনা স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েও স্বপদে বহাল শরীর চর্চা শিক্ষক প্রশাসনের কাজে খুশি হয়ে শ্রমিকদের আনন্দ মিছিল সাদা ছড়ি ব্যবহার করি, নিশ্চিন্তে পথ চলি লক্ষ্মীপুরে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত দোয়া দিবস পালিত ডেঙ্গু কেড়ে নিলো ব্যবসায়ীর প্রাণ ২০২৩ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে পারে বাংলাদেশ! সম্রাটের ১০ দিনের রিমান্ড আবরার হত্যাকাণ্ডকে ইস্যু বানাতে চাচ্ছে বিএনপি: কাদের বিশ্বে ৭০ কোটি শিশু পুষ্টিহীনতায় ভুগছে ইরান ও সৌদিকে সরাসরি আলোচনায় বসার প্রস্তাব ইমরান খানের নতুন প্রজন্মকে পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ার আহ্বান ঢাকায় হচ্ছে আরো দুই মেট্রোরেল দুই মাসেও সন্ধান মেলেনি স্বজনদের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার,আটক ৬ চর লরেঞ্জ ইউপি সদস্য নির্বাচনে ইসমাইল হোসেনের জয়

বুধবার   ১৬ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৬ সফর ১৪৪১

৫১৩

ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল লক্ষ্মীপুরের কৃতি সন্তান

প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০১৯  

শিক্ষিত তরুণদের জনপ্রিয় পেশা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। পড়াশোনার পাশাপাশি এ পেশায় অনেকেই গড়ে নিচ্ছেন ক্যারিয়ার। তাদের মধ্যে আছেন দুলাল হোসেন ও জোবায়ের মাহমুদ। তাদের মাসিক আয় ৮০০-১০০০ ডলার।

জোবায়ের মাহমুদ

লক্ষীপুরের সন্তান জোবায়ের মাহমুদ। পড়াশোনা করেন ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের স্নাতক (অনার্স) চতুর্থ বর্ষে। ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন ২০১৫ সালে। আনিসুর রহমান নামে পরিচিত এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে হাতেখড়ি। বলেন তখনও ফ্রিল্যান্সিং বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস এসব ভালো বুঝতাম না। ২০১৫ সালের শেষের দিকে ইউটিউব থেকে অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলো সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পাই।

২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল প্রথম ফাইভার মার্কেটপ্লেসে আমেরিকান এক ক্লায়েন্টের স্টেশনারি ডিজাইনের একটা কাজ পাই। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনমাস পর ঈদ। সেই ঈদে পরিবারের জন্য শপিং ফ্রিল্যান্সিং এর টাকায়। তখন স্বপ্নের মতোই মনে হয়েছিল সবকিছু। যেটার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

বর্তমানে জোবাইয়ের কাজ করছেন আমেরিকান একটি কোম্পানির ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। এছাড়াও বেশ কিছু অনলাইন মার্কেটপ্লেসে।

পড়াশোনার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং কেমন উপভোগ করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই তথ্য-প্রযুক্তি, ইন্টারনেট এগুলোর প্রতি আগ্রহ ছিল। এ জন্য বাবা-মায়ের কাছ থেকে অনেক বকাও খেয়েছি। পড়াশুনার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং বেশ উপভোগ করছি, নিজের জন্য এবং পরিবারের জন্য কিছু করতে পারছি বলে নিজেকে ভবিষ্যতের জন্য অনেকটা চাপমুক্ত মনে হচ্ছে।

অ্যাকাডেমিক পড়াশোনা ঠিক রেখে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করা আমার কাছে অনেক চ্যালেঞ্জেরও মনে করেন জোবায়ের। চ্যালেঞ্জ নিতে হলে থাকতে হবে ধৈর্য্য আর পরিশ্রম করার মানসিকতা। স্বপ্ন দেখছি ভবিষ্যতে একটি আইটি ফার্ম হবে। যেখানে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে অসংখ্য শিক্ষিত বেকার যুবকের মুখে হাসি ফুটবে।

দুলাল হোসেন

মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান দুলাল হোসেন। নিজের বাবাকে হারিয়েছেন অনেক ছোটোবেলায়। জেএসসিতে ও এসএসসিতে বৃত্তি পাওয়া দুলালের সপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। কিন্তু এইচএসসিতে আশানুরূপ ফলাফল না হওয়ায় সেই সপ্ন ভেঙে যায়। ভর্তি হোন ঢাকা কলেজে। বর্তমানে পড়াশোনা করছেন ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের স্নাতক (অনার্স) চতুর্থ বর্ষে।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন ২০১৬ সালে। বলেন যখন ২০১৫ সালে একটা ইন্সটিটিউটে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোর্সে ভর্তি হয়েছিলাম তখন আমার নিজস্ব কম্পিউটার ছিল না। সাইবার ক্যাফেতে কাজ করে কোর্সের অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতাম। ২০১৬ সালের প্রথমে নিজের টিউশনির টাকা দিয়ে কম্পিউটার কিনি এরপর শুধুই পথচলা।বর্তমানে কাজ করছেন আপওয়ার্ক, ফাইভার সহ আরো বেশকিছু অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এছাড়াও ফ্রিল্যান্সিং ইন্সটিটিউট ’কোডম্যানবিডির' মেন্টর হিসেবে।

পড়াশোনার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং কেমন উপভোগ করেছেন জানতে চাইলে বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং মুক্ত পেশা হিসেবে পার্ট টাইম জব হিসেবে নিয়েছি। ফ্রিল্যান্সিং এর টাকায় নিজের পড়াশোনার খরচের পাশাপাশি পরিবারকে খুব ভালোভাবে সাপোর্ট দিতে পারছি।

ফ্রিল্যান্সিং এ সফলতা অর্জনের জন্য ধৈর্য্য থাকতে হবে বলে মনে করেন দুলাল হোসেন। প্রথম পর্যায়ে কাজ না পেলেও হতাশ হওয়া যাবে না তাহলেই আসবে সফলতা। আগামীতে নিজেকে একজন সফল ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে চান তিনি।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//