ব্রেকিং:
চীন থেকেই চালু হয় হারেমে একাধিক রক্ষিতা রাখার প্রথা! ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্রীকে কীটনাশক খাইয়ে হত্যার চেষ্টা অনলাইনে পরীক্ষা ও ভর্তি বন্ধে ইউজিসি’র আহ্বান করোনা ঠেকাতে স্বেচ্ছায় লকডাউনে তিনগ্রাম স্বাস্থসেবীদের জন্য সিএমপি`র ফ্রি বাস সার্ভিস দেশের জন্য আগামী ৩০ দিন আরো ঝুঁকিপূর্ণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওষুধের দোকান ছাড়া সন্ধ্যার পর সব বন্ধ রাখার নির্দেশ করোনায় আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে জার্মানরা কমলনগরে সূর্যের হাসি ক্লিনিকটি বন্ধ গত ১০ দিন করোনা সংকট: দুর্নীতির শঙ্কায় বিএনপিকে না বললেন ড. ইউনূস করোনা আতঙ্কে বন্দুক কিনছে মার্কিনিরা ৯ মিনিটের জন্য অন্ধকারে ভারত এসএসসির ফল চলে যাবে অভিভাবকদের মোবাইলে রাসূলকে (সা.) স্বপ্নে দেখার আমল খাবার নিয়ে অসহায় মানুষের সৌরভ গাঙ্গুলি ভূমিকম্পের মাধ্যমে ধ্বংস হয়েছিল ‘পবিত্র নগরী’! লকডাউন আইসোলেশন কোয়ারেন্টাইন : ইসলাম যা বলে ছু‌টি বাড়লো ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে আরও বেশি মানুষ মারা যাবে, বললেন ট্রাম্প দেশে আরো ১৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত, মোট ৮৮
  • বুধবার   ০৮ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৫ ১৪২৬

  • || ১৪ শা'বান ১৪৪১

৮৬

বাংলাদেশের প্রথম নোট

আলোকিত লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি ২০২০  

কথায় কথায় অনেকেই বলেন- ‘টাকা ছাড়া দুনিয়া চলে না’। আসলেই তাই, এ একটা জিনিস না থাকলে রাস্তা-ঘাটে চলাফেরাও যেন মুশকিল। সংস্কৃত ‘টঙ্ক’ শব্দটিই বহু যুগ আগে মুদ্রা অর্থে বাংলার মানুষের কাছে হয়ে গেছে—টাকা। অনেকে তো এর অর্থও জানেন না; রৌপ্যমুদ্রা। দেশে টাকার বেশ কয়েক ধরনের নোট রয়েছে। ২, ৫, দশ, বিশ, পঞ্চাশ, একশ, পাঁচশ ও হাজার টাকার নোট। কিন্তু বাংলাদেশের প্রথম নোট সম্পর্কে জানেন কি?

উপরে যে ছবিটি দেখছেন সেটিই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কাগুজে নোট। এটি ছিল এক টাকার নোট। ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ এ নোট প্রচলনের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম নিজস্ব কাগুজে মুদ্রা চালু হয়। সেই নোট বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল। যেদিন এ নোট দেশের বাজারে ছাড়া হয় সেদিনই বাংলাদেশি কারেন্সিকে ‘টাকা’ হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়।

এক টাকার ওই নোট ছাপা হয় ইন্ডিয়ান সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে। তবে দ্বিতীয় সিরিজে নোট মুদ্রণ করা হয় যুক্তরাজ্য থেকে। যার ডিজাইন অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, পটুয়া কামরুল হাসান, কে জি মুস্তফা, শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী ও শিক্ষাবিদ নীলিমা ইব্রাহিম।

 

১৯৮২ সালে ছাপানো ১ টাকার নোট

১৯৮২ সালে ছাপানো ১ টাকার নোট

জয়নুল আবেদিন ও কামরুল হাসানের পরামর্শে মুস্​তাফা হাত দিলেন ১ টাকার নোট নকশায়। দুটি নকশা করলেন। প্রতিটি নকশাই পেল দশে-দশ। তৎকালীন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ তো প্রশংসায় পঞ্চমুখ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে যখন নকশাগুলো নিয়ে যাওয়া হলো, তখন জানতে চাইলেন, ‘এগুলা কি বিলেত থেকে নকশা করায়া আনা হইছে?’ যখন বঙ্গবন্ধু শুনলে নকশাকার বাংলাদেশেরই, তখন তিনি মহাখুশি হয়ে গেলেন। বললেন, ‘ওকে আমার কাছে নিয়া আসলা না ক্যান?’

দ্বিতীয় সিরিজে এক টাকার নোট ইস্যু করা হয় ১৯৭৩ সালের ২ মার্চ। ৫ টাকা ১৯৭২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এবং ১০ ও ১০০ টাকার নোট যথাক্রমে ওই বছরের ২ জুন ও ১ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা হয়। তবে বাংলা সিরিয়ালযুক্ত নোট প্রথম চালু হয় ১৯৭৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি। সেসময় বাংলা সিরিয়ালযুক্ত ১০ টাকার নোট ছাপা হয়।

 

১৯৭২ সালে ছাপানো ৫ টাকার নোট

১৯৭২ সালে ছাপানো ৫ টাকার নোট

দেশে প্রথমবারের মতো নোট ছাপা হয় ১৯৮৮ সালে টাকশাল স্থাপিত হওয়ার পর। টাকশাল স্থাপিত হওয়ার পর থেকে দেশেই সব ধরনের কাগুজে মুদ্রা ছাপা হচ্ছে। তবে ধাতব মুদ্রা এখনও বিদেশ থেকেই আনা হয়। এর আগে সুইজ্যারল্যান্ড, কোরিয়া, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়া থেকেও বাংলাদেশের নোট ছাপা হতো।

দেশে দুই টাকার নোট চালু হয় ২৯ ডিসেম্বর ১৯৮৮ সালে। ১৯৭৬ সালের ১ মার্চ ৫০ টাকার নোট চালু করা হয়। আর একই বছর ১৫ ডিসেম্বর বাজারে ছাড়া হয় ৫০০ টাকার নোট। ২০ টাকার নোট প্রথম বাজারে আসে ১৯৭৯ সালের ২০ আগস্ট। ২০০৯ সালের ১৭ জুলাই বাজারে আসে এক হাজার টাকার নোট।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
ইত্যাদি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর
//