ব্রেকিং:
লক্ষ্মীপুরে করোনা উপসর্গে প্রবাসীর মৃত্যু! লক্ষ্মীপুরে কৃষকের ধান কেটে দিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুরে করোনা রোগী ৩৭ জন : নতুন করে শিশুসহ আক্রান্ত ৩ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত করোনার তাণ্ডবে প্রাণ গেল ২ লাখ ১১ হাজার মানুষের মারা যাওয়া তরুণের করোনা নেগেটিভ, তিন ভাই বোনের পজেটিভ লক্ষ্মীপুরে কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিল এডভোকেট নয়ন লক্ষ্মীপুরে ত্রাণের সাথে ঘরও পেল লুজি মানসম্মত কোন ধাপ অতিক্রম করেনি গণস্বাস্থ্যের কিট পরিস্থিতি ঠিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যদের সাথে পুলিশ সুপারের ভিডিও কনফারেন্স লক্ষ্মীপুরে আরো ৩ জনের করোনা পজেটিভ আপনিকি করোনা পরীক্ষায় গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের কিট ব্যবহারের বিপক্ষে? লক্ষ্মীপুরে ধান কেটে কৃষকের ঘরে পৌঁছে দিল ছাত্রলীগ লক্ষ্মীপুরে ২০০০ পরিবার পেল উপহার সামগ্রী কমলনগরে করোনা উপসর্গে একজনের মৃত্যু, এক বাড়ি লকডাউন ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিলো ছাত্রলীগ, কৃষকের মুখে হাসি ভবানীগঞ্জে কর্মহীন পরিবহণ শ্রমিকদের মাঝে সদর এমপি’র ত্রাণ বিতরণ করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৯২ হাজার ছাড়ালো লক্ষ্মীপুরে লকডাউন অবস্থায় অসুস্থ যুবকের মৃত্যু : নমুনা সংগ্রহ
  • শুক্রবার   ২৯ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৭

  • || ০৫ শাওয়াল ১৪৪১

১৭৭

বাবাকে বাঁচাতে কুবি শিক্ষার্থীর ফেসবুক স্যাটাস

আলোকিত লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০১৯  

শর্মী আচার্য্য ও উর্মি আচার্য্য দুইবোন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থী। বড়বোন শর্মী ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে (৭ম ব্যাচ) গণিত বিভাগে পড়েন। ছোটবোন উর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের (৮ম ব্যাচ) অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগে পড়েন।

তাদের বাবা নারায়ন আচার্য্য দীর্ঘদিন যাবৎ লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। এতদিন বাবার চিকিৎসা ব্যয় পারিবারিকভাবে চালিয়েছেন। কিন্তু এখন চিকিৎসা বাবদ প্রায়  ১৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। এতটাকা সংগ্রহ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই উর্মি সবার সহযোগিতা চেয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো-

‘পরিবারের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
আমি উর্মি আচার্য্য, এআইএস, ৮ম ব্যাচ। আমার বড় বোন শর্মী আচার্য্য, গণিত, ৭ম ব্যাচ।

যুদ্ধটা এতদিন আমরা পারিবারিক ভাবেই করে আসার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু আজ শেষ পর্যায়ে এসে একসঙ্গে এত কম সময়ের মধ্যে যখন এতগুলো টাকা দরকার পরে তখন সত্যিই মাথার উপর আকাশ ভেঙে পড়ার অবস্থা হয়। উপরওয়ালা সহায় হলে আর কুবি পরিবারের সবার সহযোগিতা পেলে বাবাকে সুস্থ করে তোলার যুদ্ধে লড়তে পারব বলে বিশ্বাস রাখি

আমাদের বাবা নারায়ণ আচার্য্য দীর্ঘদিন যাবৎ লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। ডাক্তাররা চূড়ান্ত চিকিৎসা হিসেবে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের কথা জানান। এরই মাঝে আমি বাবাকে লিভারের অংশ ডোনেট করার জন্যে ফিট বলে জানতে পারি। বাংলাদেশে ট্রান্সপ্ল্যান্টে ঝুঁকি থাকলেও অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় ভারতে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তাই ঢাকার শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ট্রান্সপ্ল্যান্টের সিদ্ধান্ত হয়।

কিছুদিন পূর্বে ডাক্তাররা সবকিছু চূড়ান্ত করে জানান অক্টোবরের শেষের দিকে যেকোন দিন ট্রান্সপ্ল্যান্ট করানো হবে। ট্রান্সপ্ল্যান্টের আগে পাঁচ লাখ টাকা জমা করতে বলা হয়েছে। ট্রান্সপ্ল্যান্টের পরবর্তী দুই বছর ধরে প্রতিমাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মেডিসিন, আনুষঙ্গিক খরচসহ ১৫ লাখ টাকার দরকার। একক ভাবে এত টাকা জোগাড় করা আমাদের পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে গিয়েছে। তাই সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

উর্মি আচার্য্য
এআইএস বিভাগ (৮ম ব্যাচ)
যোগাযোগে:
০১৭০৩৫১৯৯৭৭
০১৫২১৪৪৯১৭৭
বিকাশ নাম্বার:
০১৭০৩৫১৯৯৭৭ (পার্সোনাল)

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
শিক্ষা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর
//