ব্রেকিং:
চীন থেকেই চালু হয় হারেমে একাধিক রক্ষিতা রাখার প্রথা! ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্রীকে কীটনাশক খাইয়ে হত্যার চেষ্টা অনলাইনে পরীক্ষা ও ভর্তি বন্ধে ইউজিসি’র আহ্বান করোনা ঠেকাতে স্বেচ্ছায় লকডাউনে তিনগ্রাম স্বাস্থসেবীদের জন্য সিএমপি`র ফ্রি বাস সার্ভিস দেশের জন্য আগামী ৩০ দিন আরো ঝুঁকিপূর্ণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওষুধের দোকান ছাড়া সন্ধ্যার পর সব বন্ধ রাখার নির্দেশ করোনায় আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে জার্মানরা কমলনগরে সূর্যের হাসি ক্লিনিকটি বন্ধ গত ১০ দিন করোনা সংকট: দুর্নীতির শঙ্কায় বিএনপিকে না বললেন ড. ইউনূস করোনা আতঙ্কে বন্দুক কিনছে মার্কিনিরা ৯ মিনিটের জন্য অন্ধকারে ভারত এসএসসির ফল চলে যাবে অভিভাবকদের মোবাইলে রাসূলকে (সা.) স্বপ্নে দেখার আমল খাবার নিয়ে অসহায় মানুষের সৌরভ গাঙ্গুলি ভূমিকম্পের মাধ্যমে ধ্বংস হয়েছিল ‘পবিত্র নগরী’! লকডাউন আইসোলেশন কোয়ারেন্টাইন : ইসলাম যা বলে ছু‌টি বাড়লো ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে আরও বেশি মানুষ মারা যাবে, বললেন ট্রাম্প দেশে আরো ১৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত, মোট ৮৮
  • বুধবার   ০৮ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৪ ১৪২৬

  • || ১৪ শা'বান ১৪৪১

১০৬

বিএনপি শাসনামলের মক্ষীরানি বেবি নাজনীন, শামা ও নিশো!

আলোকিত লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক অপকর্ম করে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বিএনপি। তাদের নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের সেসব অপকর্মের কথা কম-বেশি সবাই জানেন। এবার বেরিয়ে এলো নতুন এক খবর।

জানা গেছে, তারেক রহমানের ব্যবসায়ী বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের বাগানবাড়িতে অনুষ্ঠানের নামে আয়োজন করা হতো উদ্দাম নাচ ও মদ উৎসবের। আর সেখানে নিয়মিত যাতায়াত করতো বিএনপির বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ নেতা ও ব্যবসায়ীরা। তাদের মনোরঞ্জনে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত ছিলো বিভিন্ন বয়সী এক ঝাঁক নারী। আর এসব কর্মকাণ্ড থেকে উপার্জিত অর্থ ব্যবহৃত হতো জঙ্গি তৈরিসহ দেশের ধ্বংসাত্মকমূলক কাজে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিএনপি জোট সরকারের আমলে কট্টর বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের ব্যবসায়িক অংশীদার গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের বাগানবাড়ি ‘খোয়াব ভবন’-এ প্রায় প্রতি রাতেই বসতো মদ, নাচ ও জুয়ার আসর। সেখানে আমন্ত্রিত অতিথিদের মনোরঞ্জনে সময়ক্ষেপণ করতো বিভিন্ন বয়সী নারীরা। যাদের মধ্যে সর্ব প্রথমেই উঠে আসে অদিতি সেন গুপ্তর কথা। তিনি গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের গার্লফ্রেন্ড ছিলেন। এর বাইরেও তার একটি পরিচয় আছে, তিনি চ্যানেল ওয়ানের কর্মকর্তা ছিলেন। পরবর্তীতে মামুনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন প্রেমের সম্পর্কে। শুধু তাই-ই নয়, তারেক রহমানের সঙ্গেও তার উষ্ণ-অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। উঠে আসে আরেক জনের নাম। যার কণ্ঠের মাদকতায় দেশের একটি বড় অংশ বিমোহিত, তিনি আর কেউ নন বেবি নাজনীন। তিনিও সেখানে নিয়মিত যাওয়া-আসা করতেন। এমনকি অখণ্ড অবসরে অন্যান্য খদ্দেরদের মনোরঞ্জনে তৎকালীন শেরাটন হোটেলে রাত্রিযাপন করতেন।

এদিকে, কম-বেশি সবাই চিত্রনায়িকা জনাকে চেনেন। তিনি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলের হাইরেটেড একজন দেহপসারিনী। রূপের মোহতে আবেশিত করে তিনি অনেক ধনাঢ্য ব্যক্তিকে রাস্তার ফকির করে ছেড়েছেন। তার বাসভবনে বিএনপির প্রভাবশালীর মহলের পাশাপাশি অনেক মন্ত্রী ও প্রভাবশালী নেতার অবাধ যাতায়াত ছিল। একইপথে হেঁটেছেন চিত্রনায়িকা শায়লা, ফারহানা নিশো ও শামা ওবায়েদও। তারা নিজেদের যৌবনের জালে মানুষকে ফাঁসিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। ভেঙেছেন অনেকের সাজানো সুখের সংসার। এদের অনেকেই এখন অন্তরালে। আবার অনেকেই দেশছাড়া। কেউবা চালিয়ে যাচ্ছেন চুপিসারে এখনো।

রাজনৈতিক বিজ্ঞজনরা বলছেন, অবৈধ সকল কাজের চর্চাই হয় বিএনপির ঘরে। যার স্বচ্ছ ও উত্তম উদাহরণ এই দেহপসারিনীদের ঘটনা। তারা নারীদের ব্যবহার করে নিজের স্বার্থ হাসিল করতো টার্গেট প্রার্থীদের থেকে। যেটা একটা রাজনৈতিক দলের জন্য আকণ্ঠ দুর্বলতা বৈ অন্য কিছু নয়।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
রাজনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর
//