ব্রেকিং:
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুলিশ সুপার মহোদয়ের পুষ্পস্তবক অর্পণ লক্ষ্মীপুরে খাবারের দোকানিকে মারধর করলো যুবদল এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র চলছে ইঞ্জিনিয়ার গড়ার কারখানা লক্ষ্মীপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট লক্ষ্মীপুরে কেন্দ্রীয় নেতার উপস্থিতিতেও যুবদলের পৃথক কর্মী সভা লক্ষ্মীপুরে ভাষা শহীদদের স্মরণে বিনম্র শ্রদ্ধা সরকারি রাস্তার উপর অবৈধ সীমানা প্রাচীর, ভেঙ্গে দিলেন ইউএনও ভোগান্তি কমাতে লক্ষ্মীপুরে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাহাদাত, সম্পাদক হাবিব বাংলা ভাষায় ওয়েবসাইট চালু করল মার্কিন দূতাবাস ভাষা আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুদ্ধ বানান চর্চার একুশে ফেব্রুয়ারি লক্ষ্মীপুরে শত্রুতার কাঁটাতারে আটকে চলাচলে অবরুদ্ধ একটি পরিবার লক্ষ্মীপুরে কিশোরীকে ধর্ষনের ঘটনায় মামলা : গ্রেপ্তার ২ লক্ষ্মীপুরে বিচারপ্রার্থীদের দোরগোড়ায় একজন বিচারকের ছুটে চলা রায়পুরে জেলা পরিষদের যাত্রী ছাউনি দখল, যাত্রীদের দূর্ভোগ রায়পুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কারামুক্ত হয়ে সর্বপ্রথম চর পোড়াগাছা গ্রামে গেছেন বঙ্গবন্ধু
  • শনিবার   ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ৯ ১৪২৬

  • || ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৪১

৫৭

রাতারাতি ১৪ কোটি টাকার মালিক দিনমজুর

আলোকিত লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

দিনমজুর পি রঞ্জন ব্যাংকে ঋণের জন্য চারবার আবেদন করেছিলেন। কিন্তু চারবারই তার আবেদন নাকচ করে দেয় ব্যাংক। জানুয়ারিতে শেষবারের মতো তার আবেদন নাকচ হওয়ার পর বাড়ি আসার পথে তিনি বড়দিন ও নববর্ষ উপলক্ষে ব্যাংকের একটি লটারি কিনে আনেন। এ লটারিতেই তিনি জিতে নিলেন ১২ কোটি রুপির ( ১৪ কোটি টাকা ) সর্বোচ্চ পুরস্কারটি।
ভারতের কেরালা রাজ্যের কান্নুর জেলার কুথুপারাম্ভা শহরের বাসিন্দা রঞ্জন গত বছরই তার বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। মেয়ের বিয়েতে খরচের জন্য তার বিশাল অঙ্কের ধা’র-দেনা জমে ছিল। 

পাশাপাশি তার বাড়ি তৈরির কাজ অর্ধেক সমাপ্ত হবার পর অর্থের অভাবে থেমে গিয়েছিল। অর্থের জন্য তার ছেলেকে পড়ালেখা ছেড়ে দিতে হয়েছিল। ছোট মেয়ে এবার মাধ্যমিকে পড়াশুনা করছে। 

অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অভাবকে সাময়িকভাবে দমনের জন্য ব্যাংকে ঋণের আবেদন করেন তিনি। একে একে চারবার আবেদন করলেও প্রত্যেকবারই ব্যাংক তার আবেদন নাকচ করে দেয়।

সোমবার লটারির এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সর্বোচ্চ পুরস্কারের দাবি করে কোনো লটারি ক্রেতাই সেদিন হাজির হননি।

পরদিন মঙ্গলবার বিকেলে রঞ্জন তার টিকেট নাম্বার লিখে কাছাকাছি এক দোকানে যান তার কেনা লটারির বিপরীতে কোনো পুরস্কার আছে কিনা তা দেখতে।

তাকে বিস্মিত করে দোকানি জানায়, তিনশ রুপি দিয়ে তার কেনা এসটি ২৬৯৬০৯ নম্বরের টিকেটটি লটারিতে সর্বোচ্চ পুরস্কার ১২ কোটি রুপি জিতে নিয়েছে।

রঞ্জনের স্ত্রী রজনী জানান, তার স্বামীর লটারি কেনা নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। কিন্তু এবারের লটারি নিয়ে ঝগড়ার জন্য তিনি প্রস্তুত ছিলেন না।

রঞ্জন বলেন, স্ত্রীকে যখন তিনি লটারি জেতার খবর দেন তখন তিনি বিশ্বাসই করতে পারেননি। পরে লোকজন তাকে অভিনন্দন জানাতে এলে রজনী বুঝতে পারেন।

রঞ্জন জানান, লটারির এ টাকা থেকে প্রথমে তিনি সাত লাখ রুপি দেনা শোধ করবেন এবং তার অর্ধেক শেষ করা বাড়ির কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ করবেন।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
বিনোদন বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর
//