ব্রেকিং:
দেশ-বিদেশ যেখান থেকেই হোক, গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা : তথ্যমন্ত্রী কোভিড-১৯ টেস্ট: সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা পাচ্ছে গণস্বাস্থ্য করোনা সংকট সামলাতে ডিজিটাল ম্যাপ সমৃদ্ধের উদ্যোগ শবেবরাতের মাহাত্ম্যে মানবকল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান চীনের কাছে চিকিৎসক-ভেন্টিলেটর চেয়েছে বাংলাদেশ, সহায়তার আশ্বাস চীন থেকেই চালু হয় হারেমে একাধিক রক্ষিতা রাখার প্রথা! ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্রীকে কীটনাশক খাইয়ে হত্যার চেষ্টা অনলাইনে পরীক্ষা ও ভর্তি বন্ধে ইউজিসি’র আহ্বান করোনা ঠেকাতে স্বেচ্ছায় লকডাউনে তিনগ্রাম স্বাস্থসেবীদের জন্য সিএমপি`র ফ্রি বাস সার্ভিস দেশের জন্য আগামী ৩০ দিন আরো ঝুঁকিপূর্ণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওষুধের দোকান ছাড়া সন্ধ্যার পর সব বন্ধ রাখার নির্দেশ করোনায় আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে জার্মানরা কমলনগরে সূর্যের হাসি ক্লিনিকটি বন্ধ গত ১০ দিন করোনা সংকট: দুর্নীতির শঙ্কায় বিএনপিকে না বললেন ড. ইউনূস করোনা আতঙ্কে বন্দুক কিনছে মার্কিনিরা ৯ মিনিটের জন্য অন্ধকারে ভারত এসএসসির ফল চলে যাবে অভিভাবকদের মোবাইলে রাসূলকে (সা.) স্বপ্নে দেখার আমল খাবার নিয়ে অসহায় মানুষের সৌরভ গাঙ্গুলি
  • শুক্রবার   ১০ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৭ ১৪২৬

  • || ১৬ শা'বান ১৪৪১

৭৩

রাতারাতি ১৪ কোটি টাকার মালিক দিনমজুর

আলোকিত লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

দিনমজুর পি রঞ্জন ব্যাংকে ঋণের জন্য চারবার আবেদন করেছিলেন। কিন্তু চারবারই তার আবেদন নাকচ করে দেয় ব্যাংক। জানুয়ারিতে শেষবারের মতো তার আবেদন নাকচ হওয়ার পর বাড়ি আসার পথে তিনি বড়দিন ও নববর্ষ উপলক্ষে ব্যাংকের একটি লটারি কিনে আনেন। এ লটারিতেই তিনি জিতে নিলেন ১২ কোটি রুপির ( ১৪ কোটি টাকা ) সর্বোচ্চ পুরস্কারটি।
ভারতের কেরালা রাজ্যের কান্নুর জেলার কুথুপারাম্ভা শহরের বাসিন্দা রঞ্জন গত বছরই তার বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। মেয়ের বিয়েতে খরচের জন্য তার বিশাল অঙ্কের ধা’র-দেনা জমে ছিল। 

পাশাপাশি তার বাড়ি তৈরির কাজ অর্ধেক সমাপ্ত হবার পর অর্থের অভাবে থেমে গিয়েছিল। অর্থের জন্য তার ছেলেকে পড়ালেখা ছেড়ে দিতে হয়েছিল। ছোট মেয়ে এবার মাধ্যমিকে পড়াশুনা করছে। 

অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অভাবকে সাময়িকভাবে দমনের জন্য ব্যাংকে ঋণের আবেদন করেন তিনি। একে একে চারবার আবেদন করলেও প্রত্যেকবারই ব্যাংক তার আবেদন নাকচ করে দেয়।

সোমবার লটারির এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সর্বোচ্চ পুরস্কারের দাবি করে কোনো লটারি ক্রেতাই সেদিন হাজির হননি।

পরদিন মঙ্গলবার বিকেলে রঞ্জন তার টিকেট নাম্বার লিখে কাছাকাছি এক দোকানে যান তার কেনা লটারির বিপরীতে কোনো পুরস্কার আছে কিনা তা দেখতে।

তাকে বিস্মিত করে দোকানি জানায়, তিনশ রুপি দিয়ে তার কেনা এসটি ২৬৯৬০৯ নম্বরের টিকেটটি লটারিতে সর্বোচ্চ পুরস্কার ১২ কোটি রুপি জিতে নিয়েছে।

রঞ্জনের স্ত্রী রজনী জানান, তার স্বামীর লটারি কেনা নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। কিন্তু এবারের লটারি নিয়ে ঝগড়ার জন্য তিনি প্রস্তুত ছিলেন না।

রঞ্জন বলেন, স্ত্রীকে যখন তিনি লটারি জেতার খবর দেন তখন তিনি বিশ্বাসই করতে পারেননি। পরে লোকজন তাকে অভিনন্দন জানাতে এলে রজনী বুঝতে পারেন।

রঞ্জন জানান, লটারির এ টাকা থেকে প্রথমে তিনি সাত লাখ রুপি দেনা শোধ করবেন এবং তার অর্ধেক শেষ করা বাড়ির কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ করবেন।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
বিনোদন বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর
//