ব্রেকিং:
লক্ষ্মীপুরে করোনা উপসর্গে প্রবাসীর মৃত্যু! লক্ষ্মীপুরে কৃষকের ধান কেটে দিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুরে করোনা রোগী ৩৭ জন : নতুন করে শিশুসহ আক্রান্ত ৩ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত করোনার তাণ্ডবে প্রাণ গেল ২ লাখ ১১ হাজার মানুষের মারা যাওয়া তরুণের করোনা নেগেটিভ, তিন ভাই বোনের পজেটিভ লক্ষ্মীপুরে কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিল এডভোকেট নয়ন লক্ষ্মীপুরে ত্রাণের সাথে ঘরও পেল লুজি মানসম্মত কোন ধাপ অতিক্রম করেনি গণস্বাস্থ্যের কিট পরিস্থিতি ঠিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যদের সাথে পুলিশ সুপারের ভিডিও কনফারেন্স লক্ষ্মীপুরে আরো ৩ জনের করোনা পজেটিভ আপনিকি করোনা পরীক্ষায় গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের কিট ব্যবহারের বিপক্ষে? লক্ষ্মীপুরে ধান কেটে কৃষকের ঘরে পৌঁছে দিল ছাত্রলীগ লক্ষ্মীপুরে ২০০০ পরিবার পেল উপহার সামগ্রী কমলনগরে করোনা উপসর্গে একজনের মৃত্যু, এক বাড়ি লকডাউন ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিলো ছাত্রলীগ, কৃষকের মুখে হাসি ভবানীগঞ্জে কর্মহীন পরিবহণ শ্রমিকদের মাঝে সদর এমপি’র ত্রাণ বিতরণ করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৯২ হাজার ছাড়ালো লক্ষ্মীপুরে লকডাউন অবস্থায় অসুস্থ যুবকের মৃত্যু : নমুনা সংগ্রহ
  • শুক্রবার   ০৭ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৩ ১৪২৭

  • || ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

৬৯৭

রোগী আছে, ওষুধ নেই

আলোকিত লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত: ৯ ডিসেম্বর ২০১৯  

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা ৫০ শয্যা হাসপাতালে ওষুধ সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। পাশাপাশি দুটি উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রেরও একই অবস্থা। পাঁচ মাস ধরে এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে গ্রামাঞ্চল থেকে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ শতাধিক রোগী ওষুধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এদিকে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে জ্বর, পাতলা পায়খানা, ডায়রিয়া, সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন রোগী বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই এ হাসপাতালে রোগীর ভিড় দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সরকারিভাবে রোগীদের ওষুধ দেয়া যাচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ইউপির দুটি উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চাহিদা অনুযায়ী জুলাই মাসে সিভিল সার্জন বরাবর চিঠি দিয়ে ওষুধের বরাদ্দ চাওয়া হয়। কিন্তু পাঁচ মাসেও স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে এ বরাদ্দ না পাওয়ায় সিভিল সার্জন অফিস থেকে ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। আগের মজুত থেকে কয়েক মাস কিছু ওষুধ দিয়ে ভর্তি রোগীদের সেবা চালালেও অ্যান্টিবায়োটিকসহ অনেক ওষুধ সংকট থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরবরাহ ওষুধ এখনো না পাওয়ায় দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তৃপক্ষরাও।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক জানান, হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে কোনো ধরনের ওষুধ ব্যবস্থাপত্রে লেখা যাবে না। কারণ ওষুধ নেই। এ জন্য চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্রে ওষুধ লিখে বাইর থেকে সরবরাহের পরামর্শ দিচ্ছেন।

বামনী ইউপির রোকেয়া বেগমসহ কয়েকজন জানান, যে সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন সে রোগের ওষুধ নেই। এত দূর থেকে গাড়ি ভাড়া দিয়ে ডাক্তার দেখাতে আসছেন। কিন্তু সরকারি ওষুধ না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফেরেন তারা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাকির হোসেন বলেন, জুলাই থেকে হাসপাতাল ও উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ থাকায় নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ওষুধের চাহিদা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে কয়েক দফা চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু ওষুধের সরবরাহ মিলছে না। প্রতিদিন এ হাসপাতালে আউটডোর ও ইনডোরে চার থেকে পাঁচশ রোগী নিতে আসেন। কিন্তু হাসপাতালে কোনো ওষুধ নেই।

লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল গফ্ফার বলেন, এখানে জুলাইয়ের পর কোনো ওষুধ সরবরাহ করা হয়নি। এ কারণেই ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। এটা শুধু লক্ষ্মীপুরে নয়, সারাদেশের একই অবস্থা।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
লক্ষ্মীপুর বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর
//