ব্রেকিং:
লক্ষ্মীপুরে ৯০০ পিস ইয়ায়বাসহ যুবক আটক সাউথবাংলা এগ্রিকালচারাল এন্ড কমার্স ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন সাজাপ্রাপ্ত ছলিম উদ্দিন পুলিশের জালে আটক সাজাপ্রাপ্ত আসামী পুলিশের জালে আটক রায়পুরে পানিবন্দী ১০ ইউপির মানুষ পেশীর টান? প্রতিকারের সহজ উপায় কম গ্যাস খরচ করে রান্নার সেরা কৌশল! স্ত্রীদের সঙ্গে রাসূল (সা.) এর আচরণ ও বিনোদন ধর্ষকের সাজা কমাতে কোটি টাকার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তরুণীর দুঃসময়ের নেতাদের নেতৃত্বে আনা হবে: কাদের আজ ভয়াল ১২ নভেম্বর মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গাম্বিয়ার মামলা যেভাবে ঘটে দুই ট্রেনের সংঘর্ষ (ভিডিও) ট্রেন দুর্ঘটনায় আহতদের প্রচুর রক্তের প্রয়োজন দুই ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন যুক্তরাজ্যে গাঁজা দিয়ে তৈরি হচ্ছে ওষুধ সেন্টমার্টিনে আটকা পর্যটকদের আনতে তিন জাহাজ ৯৯৯ এ কল, পুলিশ-কোস্টগার্ডের অভিযানে ৩০ জীবন রক্ষা সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশ বন্ধ গৃহবধূ ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোয় আটক ১২

মঙ্গলবার   ১২ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৮ ১৪২৬   ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

১৮

লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি, অনলাইনে ফল প্রকাশ

প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০১৯  

নতুন শিক্ষাবর্ষে মহানগরী ও জেলা সদরের পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ের স্কুলগুলোর ভর্তি আবেদনও অনলাইনে গ্রহণ করতে হবে। এবারও প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমেই শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে। 

প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য একজন শিশুর বয়স হতে হবে ছয় বছরের উপরে। এসব বিষয় উল্লেখ করে সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা ২০২০ চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এবার দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু সে বিষয়ে দ্বিমত থাকায় আগের মতোই লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বুধবার মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়। 

নীতিমালা অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরীর ৩৬টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে তিনটি গুচ্ছে ভাগ করে পরীক্ষা নেয়া হবে। একজন শিক্ষার্থী একটি গুচ্ছের একটি স্কুলেই আবেদন করতে পারবে। আগের মতোই বিদ্যালয় সংলগ্ন ক্যাচমেন্ট এরিয়ার জন্য ৪০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করা হবে। আর বাকি ৬০ শতাংশ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটা, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ দফতরসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য কোটা সংরক্ষণ করা হবে।

২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য সব মহানগরী, বিভাগীয় শহর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভর্তির আবেদন গ্রহণ, আবেদনের ফি গ্রহণ এবং ফলাফল প্রকাশ অনলাইনে করতে হবে। তবে কোনো কারণে অনলাইনে করা সম্ভব না শুধু উপজেলা পর্যায়ের স্কুলগুলোর জন্য ম্যানুয়ালি আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। সরকারি স্কুলে আবেদন ফি ধরা হয়েছে ১৭০ টাকা।

সূত্র জানিয়েছে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট ৫০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে রাখা হয়েছে ২০ নম্বর। পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা । এছাড়া চতুর্থ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে রাখা হয়েছে ৪০ নম্বর। পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা সন্তানদের ছেলে-মেয়ের, প্রতিবন্ধীদের কোটা আগের মতো বহাল রাখা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তান এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ কোটার পরিবর্তে ৩ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু আদালতে মামলা থাকায় কোটা বৃদ্ধির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

আর বেসরকারি স্কুলের ক্ষেত্রে কোনো শ্রেণিকে কত আসন রয়েছে তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার কথা বলা হয়েছে। কোনো স্কুলে যাতে নির্ধারিত আসনের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করতে না পারে সে জন্য কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু থাকবে বলে সভা থেকে জানানো হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. মো. আবদুল মান্নান বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভায় নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে অনলাইনে আবেদন, ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণসহ অন্যান্য সময়সূচি ঠিক করা হবে।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//