ব্রেকিং:
সাজাপ্রাপ্ত ছলিম উদ্দিন পুলিশের জালে আটক সাজাপ্রাপ্ত আসামী পুলিশের জালে আটক রায়পুরে পানিবন্দী ১০ ইউপির মানুষ পেশীর টান? প্রতিকারের সহজ উপায় কম গ্যাস খরচ করে রান্নার সেরা কৌশল! স্ত্রীদের সঙ্গে রাসূল (সা.) এর আচরণ ও বিনোদন ধর্ষকের সাজা কমাতে কোটি টাকার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তরুণীর দুঃসময়ের নেতাদের নেতৃত্বে আনা হবে: কাদের আজ ভয়াল ১২ নভেম্বর মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গাম্বিয়ার মামলা যেভাবে ঘটে দুই ট্রেনের সংঘর্ষ (ভিডিও) ট্রেন দুর্ঘটনায় আহতদের প্রচুর রক্তের প্রয়োজন দুই ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন যুক্তরাজ্যে গাঁজা দিয়ে তৈরি হচ্ছে ওষুধ সেন্টমার্টিনে আটকা পর্যটকদের আনতে তিন জাহাজ ৯৯৯ এ কল, পুলিশ-কোস্টগার্ডের অভিযানে ৩০ জীবন রক্ষা সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশ বন্ধ গৃহবধূ ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোয় আটক ১২ ভোলায় ট্রলার ডুবিতে এক জেলের প্রাণহানি, নিখোঁজ ১০ টাকার বান্ডিলের উপর ঘুমিয়ে থাকা সেই এসআই প্রত্যাহার

মঙ্গলবার   ১২ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৭ ১৪২৬   ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

১৯

শিশুদের কৃমি হবার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধে করণীয়

প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০১৯  

অনেক পুরাতন পেটের সমস্যাগুলোর মধ্যে কৃমি একটি। কৃমি হলো একধরনের পরজীবী। এটি মানুষের অন্ত্রে বাস করে। বিভিন্ন প্রকারের কৃমি হয়ে থাকে, যেমন- গোল কৃমি, সুতা কৃমি, ফিতা কৃমি, বক্র কৃমি। এগুলো বিভিন্ন আকারেরও হয়ে থাকে।

যেকোনো বয়সেই এই সমস্যা হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা সবচাইতে বেশি দেখা যায়। এর কারণে প্রায় সময় শিশুদের পেটে ব্যথা, বমিবমি ভাব, খাদ্যে অরুচি, পায়খানার রাস্তায় চুলকানি ইত্যাদি হয়ে থাকে। এইসব লক্ষণ দেখা দিলেই বুঝে নিতে হবে শিশুটি কৃমিতে আক্রান্ত হয়েছে।

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক শিশুর কৃমি হওয়ার কারণ ও কিভাবে প্রতিরোধ করতে হয় সেই সম্পর্কে-

কৃমি হওয়ার কারণ
বিভিন্ন কারণে কৃমি হয়ে থাকে। অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবহার, অপরিষ্কার ঘরবাড়ি, টয়লেটের পর হাত ভালোভাবে না ধোয়া, দূষিত পানি ব্যবহার, খাবার ভালোভাবে না ধুয়ে রান্না করা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করা, হাতের নখ বড় রাখলে এবং অর্ধসেদ্ধ গরুর মাংস খেলে কৃমি হতে পারে। অনেকে মনে করেন মিষ্টি খেলে কৃমি হয়ে থাকে এটি একটি ভুল ধারণা। মিষ্টি খাওয়ার সঙ্গে কৃমি হওয়ার কোনো সম্পর্কই নেই।  

শিশুদের কৃমি হলে কী হয়?
শিশুরা সাধারণত বেশি কৃমিতে আক্রান্ত হয়ে থাকে। কৃমিতে আক্রান্ত হলে শিশুর শরীরের বিস্তার ভালোভাবে ঘটে না, শিশু অপুষ্টিতে আক্রান্ত হয়। কৃমি অন্ত্রে রক্তপাত ঘটিয়ে শিশুকে রক্তশূন্য করে ফেলে। আবার অন্ত্রে পরিপাক ও শোষণে বাঁধার সৃষ্টি করে, যার ফলে শিশুর ডায়রিয়া হয়ে থাকে। এভাবে শিশু দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শিশুর বিকাশ ঠিকভাবে ঘটে না।

 

কৃমি

কৃমি

শিশুদের কৃমি কেন হয়?
১. শিশুকে অপরিষ্কার রাখলে।

২. ৬ মাস বয়স পর্যন্ত বুকের দুধের বাহিরে অন্য কিছু খাওয়ালে।

৩. শিশু খালি পায়ে থাকলে পায়ের নখের ভেতরে কৃমির ডিম প্রবেশ করে অন্ত্রে পৌঁছায়। এভাবে শিশু কৃমিতে আক্রান্ত হয়।

৪. খাওয়ানোর পূর্বে হাত ঠিক করে পরিষ্কার  না করলে।

৫. নিয়মিত গোসল না করালে।

৬. শিশুর নখ নিয়মিত না কাটলে।

শিশুদের কৃমি প্রতিরোধে করণীয়
>  ৬ মাস পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ানো। শিশু জন্মের পর থেকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ ছাড়া অন্য কিছু দেয়া যাবে না। ৬ মাস এর পর থেকে দুধের পাশাপাশি অন্য খাবারও দেয়া যাবে। কিন্তু এর আগে অন্য খাবার দিলে খাবারের সঙ্গে শিশুর পেটে কৃমির ডিম ঢুকে পরতে পারে। তাই ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে মায়ের দুধই খেতে দিতে হবে।

> পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি ব্যবহার করতে হবে। পানি পান করা থেকে শুরু করে ধোয়া-মোছা, রান্নাবান্না, সবক্ষেত্রে পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি ব্যবহার করা আবশ্যক।

 

অনেক পুরাতন পেটের সমস্যাগুলোর মধ্যে কৃমি একটি। কৃমি হলো একধরনের পরজীবী। এটি মানুষের অন্ত্রে বাস করে। বিভিন্ন প্রকারের কৃমি হয়ে থাকে, যেমন- গোল কৃমি, সুতা কৃমি, ফিতা কৃমি, বক্র কৃমি। এগুলো বিভিন্ন আকারেরও হয়ে থাকে।

যেকোনো বয়সেই এই সমস্যা হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা সবচাইতে বেশি দেখা যায়। এর কারণে প্রায় সময় শিশুদের পেটে ব্যথা, বমিবমি ভাব, খাদ্যে অরুচি, পায়খানার রাস্তায় চুলকানি ইত্যাদি হয়ে থাকে। এইসব লক্ষণ দেখা দিলেই বুঝে নিতে হবে শিশুটি কৃমিতে আক্রান্ত হয়েছে।

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক শিশুর কৃমি হওয়ার কারণ ও কিভাবে প্রতিরোধ করতে হয় সেই সম্পর্কে-

কৃমি হওয়ার কারণ
বিভিন্ন কারণে কৃমি হয়ে থাকে। অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবহার, অপরিষ্কার ঘরবাড়ি, টয়লেটের পর হাত ভালোভাবে না ধোয়া, দূষিত পানি ব্যবহার, খাবার ভালোভাবে না ধুয়ে রান্না করা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করা, হাতের নখ বড় রাখলে এবং অর্ধসেদ্ধ গরুর মাংস খেলে কৃমি হতে পারে। অনেকে মনে করেন মিষ্টি খেলে কৃমি হয়ে থাকে এটি একটি ভুল ধারণা। মিষ্টি খাওয়ার সঙ্গে কৃমি হওয়ার কোনো সম্পর্কই নেই।  

শিশুদের কৃমি হলে কী হয়?
শিশুরা সাধারণত বেশি কৃমিতে আক্রান্ত হয়ে থাকে। কৃমিতে আক্রান্ত হলে শিশুর শরীরের বিস্তার ভালোভাবে ঘটে না, শিশু অপুষ্টিতে আক্রান্ত হয়। কৃমি অন্ত্রে রক্তপাত ঘটিয়ে শিশুকে রক্তশূন্য করে ফেলে। আবার অন্ত্রে পরিপাক ও শোষণে বাঁধার সৃষ্টি করে, যার ফলে শিশুর ডায়রিয়া হয়ে থাকে। এভাবে শিশু দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শিশুর বিকাশ ঠিকভাবে ঘটে না।

 

কৃমি

কৃমি

শিশুদের কৃমি কেন হয়?
১. শিশুকে অপরিষ্কার রাখলে।

২. ৬ মাস বয়স পর্যন্ত বুকের দুধের বাহিরে অন্য কিছু খাওয়ালে।

৩. শিশু খালি পায়ে থাকলে পায়ের নখের ভেতরে কৃমির ডিম প্রবেশ করে অন্ত্রে পৌঁছায়। এভাবে শিশু কৃমিতে আক্রান্ত হয়।

৪. খাওয়ানোর পূর্বে হাত ঠিক করে পরিষ্কার  না করলে।

৫. নিয়মিত গোসল না করালে।

৬. শিশুর নখ নিয়মিত না কাটলে।

শিশুদের কৃমি প্রতিরোধে করণীয়
>  ৬ মাস পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ানো। শিশু জন্মের পর থেকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ ছাড়া অন্য কিছু দেয়া যাবে না। ৬ মাস এর পর থেকে দুধের পাশাপাশি অন্য খাবারও দেয়া যাবে। কিন্তু এর আগে অন্য খাবার দিলে খাবারের সঙ্গে শিশুর পেটে কৃমির ডিম ঢুকে পরতে পারে। তাই ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে মায়ের দুধই খেতে দিতে হবে।

> পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি ব্যবহার করতে হবে। পানি পান করা থেকে শুরু করে ধোয়া-মোছা, রান্নাবান্না, সবক্ষেত্রে পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি ব্যবহার করা আবশ্যক।

> খালি পায়ে হাটার অভ্যাস দূর করতে হবে। খালি পায়ে হাঁটলে পায়ের নখ দিয়ে কৃমির ডিম শিশুর অন্ত্রে পৌঁছায়। তাই শিশুকে খালি পায়ে হাঁটা থেকে বিরত রাখতে হবে।

> শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। শিশুকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে শিশুর শরীরের ময়লা আবর্জনার সঙ্গে কৃমির ডিম শিশুর অন্ত্রে পৌঁছায়, যার ফলে শিশু কৃমিতে আক্রান্ত হয়।

> প্রতি ৪ মাস পরপর পরিবারের সবাইকে কৃমির ঔষধ সেবন করতে হবে, কেনোনা পরিবারের একজনের কৃমি হলে বাকিদেরও কৃমি হয়ে থাকে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে প্রতি ৪ মাস পরপর কৃমির ঔষধ খেতে হবে।

কৃমির ঔষধ সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। শরীর ভালো থাকলে ঔষধ নিরাপদ হলেও অসুস্থ অবস্থায় বিপজ্জনক হতে পারে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কৃমির ঔষধ সেবন করা ঠিক না।

 

> খালি পায়ে হাটার অভ্যাস দূর করতে হবে। খালি পায়ে হাঁটলে পায়ের নখ দিয়ে কৃমির ডিম শিশুর অন্ত্রে পৌঁছায়। তাই শিশুকে খালি পায়ে হাঁটা থেকে বিরত রাখতে হবে।

> শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। শিশুকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে শিশুর শরীরের ময়লা আবর্জনার সঙ্গে কৃমির ডিম শিশুর অন্ত্রে পৌঁছায়, যার ফলে শিশু কৃমিতে আক্রান্ত হয়।

> প্রতি ৪ মাস পরপর পরিবারের সবাইকে কৃমির ঔষধ সেবন করতে হবে, কেনোনা পরিবারের একজনের কৃমি হলে বাকিদেরও কৃমি হয়ে থাকে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে প্রতি ৪ মাস পরপর কৃমির ঔষধ খেতে হবে।

কৃমির ঔষধ সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। শরীর ভালো থাকলে ঔষধ নিরাপদ হলেও অসুস্থ অবস্থায় বিপজ্জনক হতে পারে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কৃমির ঔষধ সেবন করা ঠিক না।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//