ব্রেকিং:
লক্ষ্মীপুরে ৯০০ পিস ইয়ায়বাসহ যুবক আটক সাউথবাংলা এগ্রিকালচারাল এন্ড কমার্স ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন সাজাপ্রাপ্ত ছলিম উদ্দিন পুলিশের জালে আটক সাজাপ্রাপ্ত আসামী পুলিশের জালে আটক রায়পুরে পানিবন্দী ১০ ইউপির মানুষ পেশীর টান? প্রতিকারের সহজ উপায় কম গ্যাস খরচ করে রান্নার সেরা কৌশল! স্ত্রীদের সঙ্গে রাসূল (সা.) এর আচরণ ও বিনোদন ধর্ষকের সাজা কমাতে কোটি টাকার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তরুণীর দুঃসময়ের নেতাদের নেতৃত্বে আনা হবে: কাদের আজ ভয়াল ১২ নভেম্বর মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গাম্বিয়ার মামলা যেভাবে ঘটে দুই ট্রেনের সংঘর্ষ (ভিডিও) ট্রেন দুর্ঘটনায় আহতদের প্রচুর রক্তের প্রয়োজন দুই ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন যুক্তরাজ্যে গাঁজা দিয়ে তৈরি হচ্ছে ওষুধ সেন্টমার্টিনে আটকা পর্যটকদের আনতে তিন জাহাজ ৯৯৯ এ কল, পুলিশ-কোস্টগার্ডের অভিযানে ৩০ জীবন রক্ষা সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশ বন্ধ গৃহবধূ ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোয় আটক ১২

মঙ্গলবার   ১২ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৮ ১৪২৬   ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

শীতের আগেই মুলা চাষির মুখে হাসি

প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০১৯  

কুমিল্লার বরুড়ায় এবার মূলার ব্যাপক ফলন হয়েছে। ফলন ভাল হওয়ায় মুলা চাষিদের চোখে মুখে ফুটে উঠেছে তৃপ্তির সাদা হাসি। চাষিরা মূলা সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছে। কয়েক বছর এ উপজেলায় মূলার ফলন তেমন ভাল হয়নি। কিন্তু এবার বাম্পার ফলন হওয়ায় আগামীতে এ উপজেলায় মুলার ব্যাপক চাষাবাদ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে কৃষকরা। 

বরুড়ার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, ১৫টি ইউপির বিভিন্ন গ্রামে মূলার ব্যাপক চাষাবাদ হয়েছে। বছরের আগস্ট মাসের দিকে বীজ বপন করা হয়। অক্টোবরের শেষে মাঠ থেকে ফলন সংগ্রহ করে বাজারে তোলা শুরু হয়।

 

 

বরুড়ার আদমপুর, হরিপুর, খোশবাস, মুগুজি, রামমোহন, নবীপুর, বাসতলী, মহেশপুর, শরাফতি, বিজয়পুর, রাজাপুর, আগানগর, মধুপুর, জালগাও, এগারোগ্রাম, বাতাইছড়ি, আরিফপুর, অলিতলাসহ বিভিন্ন গ্রামে মূলার বাম্পার ফলন হয়।

মুলা চাষি সফিকুল ইসলাম মজুমদার জানান, এ বছর তিনি এক বিঘা জমিতে মূলার চাষ করেন। এতে তার উৎপাদন বাবদ খরচ হয় আট থেকে নয় হাজার টাকা। বিক্রি হয় ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা। প্রতি বছরেই তিনি মুলা চাষ করেন। মুলা তোলার আগে অনেক কৃষক শাক বিক্রি করেও ব্যাপক লাভবান হন।

বরুড়ার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রবিউল আলতাফ (রবি) জানান, কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে বরুড়ায় তুলনামূলক মুলার চাষ কম হয়। তার ওপর আবার কয়েক বছর মুলার ফলন আশানুরূপ হয়নি। তবে মুলা উৎপাদন আনুপাতিক হারে কয়েক বছর ধরেই এ উপজেলায় বেড়ে চলছে। 

এ বছর উপজেলায় মুলার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮০ থেকে ৯০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু কয়েক বছর ভাল ফলন না হওয়ায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা থেকে মুলার চাষাবাদ কম হয়।

বাতাইছড়ি এলাকার কৃষক খোরশেদ আলম জানান, আগের বছল ফলন কিছুটা কম হলেও তার লস হয়নি। এবার ভাল ফলন হয়েছে। পোকামাকড়ের আক্রমণও অনেক কম ছিল। মূলার আকারও বড় হয়েছে। দেখতেও সুন্দর লাগছে। যার কারণে পাইকাররা মুলা দেখেই বায়না করে যাচ্ছে। 

রাজাপুর, আগানগর, মধুপুর, জালগাও, এগারগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার একাধিক কৃষক জানান, এবার মুলাতে তাদের উৎপাদন খরচের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ লাভ হয়েছে। আগামীতে তারা আরো বেশি করে মূলাচাষ করবেন।

খোশবাস এলাকার কৃষক জামিল জানান, আমরা মৌসুম ভিত্তিক ধার দেনা করে সবজি উৎপাদন করি। সরকার যদি আমাদের মৌসুম ভিত্তিক ঋণ দিতো সহজ শর্তে কম সুদে তাহলে আমরা অনেক বেশি সবজি উৎপাদন করতে পারতাম। 

তিনি আরো বলেন, মুলা চাষে কখনো লস হয় না। লস হয় তখন যখন আমরা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে চাষ করি। পরে ফসল উঠলে সুদে আসলে ঋণ দিতে গেলেই দেখা যায় আমাদের বেশি কিছু থাকে না।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//