ব্রেকিং:
করোনার ওষুধ আবিষ্কার, বাজারে ছাড়ার অনুমতি! দুই হাজার ৪৬ জনকে নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশে অবস্থানরত চাইনিজদের কি করা উচিত ?? রামগঞ্জে ভ্রাম্যমান সমবায় প্রশিক্ষণ ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করতে ‘মশিগশি’ প্রকল্পের কর্মশালা রামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কার্যক্রম স্থগিত সদর সার্কেলের এএসপি’র বিদায় সংবর্ধণা রামগঞ্জ থানার ওসির ব্যতিক্রমি উদ্যেগ ট্রলি চাপায় চালকের করুণ মৃত্যু মায়ের কাছে চিঠি লিখলো কেয়ার এডুকেশনের শিক্ষার্থীরা কমলনগরে প্রতিবন্ধিদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ কিশোরী গণধর্ষণ মামলায় তিন আসামি গ্রেপ্তার খালেদার কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠন ২৯ মার্চ করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১,৮৬৮ টাকা-পয়সা নয়, ওদের টার্গেট ছোট যানবাহন মার্চ থেকেই ‘অ্যাডভেঞ্চার অফ সুন্দরবন’র যাত্রা শুরু করোনাভাইরাস কেড়ে নিলো উহান হাসপাতালের পরিচালককেও হত্যার ভয় দেখিয়ে মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকার, ধরা খেলেন শিক্ষক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী সন্তান বিক্রি করে অপহরণ নাটক সাজান বাবা!
  • মঙ্গলবার   ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ৬ ১৪২৬

  • || ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সংসদে বাতিঘর বিল পাস

আলোকিত লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ বাতিঘর বিল-২০২০’ নামে একটি বিল পাস হয়েছে।

বুধবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এর আগে বিলটির ওপর বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও বিএনপি সদস্যদের আনা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নাকোচ হয়ে যায়।

বিলে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জলসীমায় চলাচলের সময় জাহাজের মালিক, এজেন্ট বা মাস্টারকে বাতিঘর মাশুল পরিশোধ করতে হবে। মাশুল আদায় করবেন সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কমিশন। বাতিঘর মাশুল পরিশোধ না করে কোনো জাহাজ নৌপথে চলাচল করলে তা আটকে রাখা হবে। আটক জাহাজ অতিরিক্ত মাশুল দিয়ে ছয় মাসের মধ্যে আবেদন করলে, তা ফেরত দেয়া হবে।

এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি সংসেদ বিলটি উত্থাপন করা হয়। ১৯২৭ সালের ‘দ্য লাইট হাউজ অ্যাক্ট’ বাতিল করে নতুন আইন করতে এ বিল আনা হয়।

অন্য দিকে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণে ‘কোম্পানি (সংশোধন) বিল-২০২০’ নামে আরো একটি বিল উত্থাপন করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ‘কোম্পানি (সংশোধন) বিল-২০২০’ সংসদে উত্থাপন করলে এর বিরোধিতা করেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইমাম। কিন্তু তার আপত্তি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। বিলটি পরীক্ষা শেষে কমিটিকে এক দিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বিলে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের সময় লোগো রেজিস্ট্রেশনের বিধান তুলে দেয়া হয়েছে। ফলে এখন শুধু কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করলেই চলবে। ফলে সংশোধিত বিলটি পাস হলে কোম্পানির কমন সিল, সাধারণ সিল ও অফিসিয়াল সিল নিবন্ধনের বিধান বিলোপ হবে।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর
//