ব্রেকিং:
লক্ষ্মীপুরে ১২ নভেম্বরকে উপকূল দিবসের দাবি দ্বীর্ঘদিনের ভোগান্তি শেষে উন্মোচন হচ্ছে রামগঞ্জ-হাজিগঞ্জ সড়ক গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে পল্লী বিদ্যুৎকে দুদকের নির্দেশ লক্ষ্মীপুরে ৯০০ পিস ইয়ায়বাসহ যুবক আটক সাউথবাংলা এগ্রিকালচারাল এন্ড কমার্স ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন সাজাপ্রাপ্ত ছলিম উদ্দিন পুলিশের জালে আটক সাজাপ্রাপ্ত আসামী পুলিশের জালে আটক রায়পুরে পানিবন্দী ১০ ইউপির মানুষ পেশীর টান? প্রতিকারের সহজ উপায় কম গ্যাস খরচ করে রান্নার সেরা কৌশল! স্ত্রীদের সঙ্গে রাসূল (সা.) এর আচরণ ও বিনোদন ধর্ষকের সাজা কমাতে কোটি টাকার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তরুণীর দুঃসময়ের নেতাদের নেতৃত্বে আনা হবে: কাদের আজ ভয়াল ১২ নভেম্বর মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গাম্বিয়ার মামলা যেভাবে ঘটে দুই ট্রেনের সংঘর্ষ (ভিডিও) ট্রেন দুর্ঘটনায় আহতদের প্রচুর রক্তের প্রয়োজন দুই ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন যুক্তরাজ্যে গাঁজা দিয়ে তৈরি হচ্ছে ওষুধ সেন্টমার্টিনে আটকা পর্যটকদের আনতে তিন জাহাজ

বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৮ ১৪২৬   ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৫৪

২০ নভেম্বরের মধ্যে ছাপা হবে প্রাথমিকের সব বই

প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০১৯  

বছরের প্রথম দিন শিশুদের হাতে বিনামূল্যে নতুন বই তুলে দিতে তৎপর সরকার। এ লক্ষ্যে আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই ছাপা হবে বলে জানা গেছে। এ জন্য প্রকাশনার কাজও এগিয়ে চলছে দ্রুত গতিতে। 
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, জটিলতার কারণে বই ছাপানোর কাজ কিছুটা দেরিতে শুরু হলেও যথাসময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেয়া হবে। 

তিনি জানান, বই ছাপানো নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল সেটি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে এক সপ্তাহ আগেই সমাধান করা হয়েছে। প্রকাশনা সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকের প্রায় সাড়ে ১০ কোটি বই ছাপার কার্যাদেশ পাওয়ার দেড় মাস পরও মুদ্রণের কাজ পাওয়া ৪৩ প্রতিষ্ঠান প্রকাশনা শুরু করতে পারছিল না। কাগজ পরিদর্শনের জন্য এনসিটিবি নিযুক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং পরিদর্শন টিম মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানকে কাগজের ছাড়পত্র দিতে হয়রানি ও অনৈতিক লেনদেনের দাবির কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয় বলেও অভিযোগ করেন প্রকাশকরা। 

প্রকাশকরা জানান, এনসিটিবি ও মুদ্রণ শিল্প সমিতিতে এ ব্যাপারে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জমা দিলে বিষয়টি সমাধান করার পর প্রকাশনার কাজ শুরু হয়।

নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, যারা প্রকাশনার কাজটি করছেন তাদের অভিযোগ আমরা বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই নিয়েছি। এজন্যই শেষ পর্যন্ত কাজটি শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর, এনসিটিবি, মুদ্রণ সমিতি, পরিদর্শন টিম এবং কাগজের ছাড়পত্র মনিটরিং প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ জটিলতার অবসানও হয়েছে। পরের বছর থেকে এ ব্যাপারে এনসিটিবি আরো বেশি সচেতন থাকবে।

২০২০ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রাথমিকের জন্য সাড়ে ১০ কোটি বই ছাপা হবে। বই ছাপার কার্যাদেশ দেয়া হয় গত ২০ আগস্ট। চুক্তি অনুযায়ী ২০ নভেম্বরের মধ্যে শতভাগ বই ছাপিয়ে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে পৌঁছানো হবে।

এনসিটিবি জানায়, আগামী শিক্ষাবর্ষে বিনামূল্যের ৩৫ কোটি পাঠ্যবই ছাপার আনুষঙ্গিক সব সরঞ্জাম পরিদর্শন, মনিটরিং এবং মান যাচাই করে ছাড়পত্র দিতে বসু বাইন্ডার্স এবং কন্টিনেন্টাল ইন্সপেকশন বিডিকে নিয়োগ দেয়া হয়। প্রাথমিকের দায়িত্ব হচ্ছে কন্টিনেন্টাল ইন্সপেকশন বিডির আর মাধ্যমিকের ছাড়পত্র দেবে বসু বাইন্ডার্সর।প্রসঙ্গত, প্রতিবছর জানুয়ারির প্রথম দিনে প্রাথমিকের সব শ্রেণিতে শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
এই বিভাগের আরো খবর
//