ব্রেকিং:
চার বছর পর সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মাওলানা ত্বহার হোয়াটসঅ্যাপ-ভাইভার অন; বন্ধ মোবাইল ফোন কে এই মাওলানা ত্বহার ২য় স্ত্রী সাবিকুন নাহার? আওয়ামীলীগের ধর্মীয় উন্নয়নকে ব্যাহত করতে ত্বহা ষড়যন্ত্র স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে প্রতারণা লক্ষ্মীপুরে করোনা উপসর্গে প্রবাসীর মৃত্যু! লক্ষ্মীপুরে কৃষকের ধান কেটে দিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুরে করোনা রোগী ৩৭ জন : নতুন করে শিশুসহ আক্রান্ত ৩ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত করোনার তাণ্ডবে প্রাণ গেল ২ লাখ ১১ হাজার মানুষের মারা যাওয়া তরুণের করোনা নেগেটিভ, তিন ভাই বোনের পজেটিভ লক্ষ্মীপুরে কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিল এডভোকেট নয়ন লক্ষ্মীপুরে ত্রাণের সাথে ঘরও পেল লুজি মানসম্মত কোন ধাপ অতিক্রম করেনি গণস্বাস্থ্যের কিট পরিস্থিতি ঠিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যদের সাথে পুলিশ সুপারের ভিডিও কনফারেন্স লক্ষ্মীপুরে আরো ৩ জনের করোনা পজেটিভ আপনিকি করোনা পরীক্ষায় গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের কিট ব্যবহারের বিপক্ষে? লক্ষ্মীপুরে ধান কেটে কৃষকের ঘরে পৌঁছে দিল ছাত্রলীগ লক্ষ্মীপুরে ২০০০ পরিবার পেল উপহার সামগ্রী
  • শুক্রবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ৯ ১৪২৮

  • || ১৫ সফর ১৪৪৩

খাগড়াছড়িতে মিলল নতুন গুহার সন্ধান

আলোকিত লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

খাগড়াছড়িতে সন্ধান মিললো নতুন একটি গুহার। নাম দেয়া হয়েছে ‘তাবাক খ’। ‘তাবাক খ’ শব্দটি স্থানীয় ত্রিপুরা ভাষা। ‘তাবাক’ এর অর্থ বাদুর এবং ‘খ’ এর অর্থ গুহা। দুটি মিলিয়ে  যার অর্থ হয় বাদুর গুহা। 

খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দূরে দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নে অবস্থিত নতুন সন্ধান হওয়া গুহাটি। গুহাটি প্রথমে দেখে মনে হতে পারে প্রাগৈতিহাসিক কোনো স্থাপনা। উঁচু পাথুড়ে দুটো পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত ‘তাবাক খ’ গুহাটি। আরো অবাক করা বিষয় হলো প্রায় ৩০ ফুটেরও বেশি উচ্চতার গুহাটির মাথায় রয়েছে পাথুরে ছাদ। সেখানে রয়েছে বাঁদুরের আবাসস্থল। ঘুটঘুটে অন্ধকার আঁকাবাঁকা গুহাটি দেখলে ভয়ে শরীর চমকে ওঠে।

 

 

খাগড়াছড়ির আলুটিলা গুহায় মশাল নিয়ে যেতে হলেও ‘তাবাক খ’ গুহাতে মুঠোফোনের আলো নিয়ে যাওয়া যাবে। তবে আলুটিলা গুহার ভেতর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও ‘তাবাক খ’ গুহার ভেতর শুষ্ক, কোনও পানি নেই। শুধু কি গুহা! গুহাতে যাওয়ার যাত্রাপথ এবং এর আশপাশের পরিবেশ অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মানুষের জন্য রয়েছে বাড়তি পাওনা।

খাগড়াছড়ি-দীঘিনালার সীমান্তবর্তী আটমাইল থেকে যেতে হবে এই গুহায়। মূল সড়ক থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার ইটের রাস্তা যাওয়া যাবে গাড়িতে। নল খাগড়া বনে ঘেরা আঁকা-বাঁকা, উচুঁ-নিচু এ রাস্তা। ইটের রাস্তা শেষ হতেই শুরু হবে দুই কিলোমিটারের পায়ে হাঁটা পথ।

 

 

পাহাড়ের ভেতরের পথ ধরে হাঁটতে হবে প্রায় ২০ মিনিট। এই ২০ মিনিট কখনও পাহাড় বেয়ে নামতে হবে আবার কখনও পানিপথ ধরে হাঁটতে হবে। গুহার ঠিক আগে শেষ যে পাহাড়টি বেয়ে নামতে হবে সেটি মূলত একটি ঝর্ণার পাশ দিয়ে শক্ত কোনও লতা ধরে। শুষ্ক মৌসুমে পানি না থাকলেও ভরা বর্ষা মৌসুমে দেখা যাবে তার বুনো রূপ। তখন তার গা ঘেঁষে নামা নিশ্চিত দারুণ এক অনুভূতি তৈরি হবে।

তারপর মাইরুং তৈসা ছড়া দিয়ে ৫-৭ মিনিট এগুলেই পৌছে যাবেন ‘তাবাক খ’ গুহার মুখে। গুহার সামনের অংশে কিছুটা আলো মিললেও বাকি পুরো অংশ ঘুটঘুটে অন্ধকার। ১৬০ ফিটেরও বেশি দৈর্ঘ্য এবং প্রায় সাড়ে তিন ফিট প্রশস্ত গুহাটি দেখে মনে হতে পারে এটি মানুষের তৈরি।

আলোকিত লক্ষ্মীপুর
আলোকিত লক্ষ্মীপুর
//